চরমোনাইর ডিঙ্গামানিক গ্রামের তিন পরিবারকে মামালা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ চরমোনাইর ডিঙ্গামানিক গ্রামের তিন পরিবারকে মামালা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ - ajkerparibartan.com
চরমোনাইর ডিঙ্গামানিক গ্রামের তিন পরিবারকে মামালা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ

4:03 pm , April 4, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ সদর উপজেলার চরেমোনাইর ডিঙ্গামানিক গ্রামের মাঝের বাড়ীর জমি দখলের নেশায় মামলাবাজ স্মৃতি আক্তার এখন বেসামাল হয়ে পড়েছে । সে এখন একের পরএকটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে প্রতিপক্ষকে । তার এই মিথ্যা মামলার কারনে এলাকার ৩টি নিরীহ পরিবার এখন দিশেহারা হয়েপেড়েছে । আর এই মামলাবাজ স্মৃতির পালে হাওয়া দিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল । স্মৃতি তার বিদেশে থাকা স্বামী সেলিম হাওলাদারের পাঠানো টাকার জোরে এ সব করে বেড়াচ্ছে । স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের কথা সে শুনছেনা । হয়রানীগ্রস্থ পরিবারের পক্ষথেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে মামলাবাজ স্মৃতি বেগম বলেবেড়াচ্ছে এই মামলায় কাজ না হলে সে প্রয়োজনে নারী নির্যাতনের মামলা দিবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে । এবং বিভিন্ন সময়ে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী লোক দিয়ে প্রতিপক্ষ জসিম হাওলাদার গিয়াস উদ্দিন সেন্টু ও তাজুল ইসলামকে জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে । এই স্মৃতির অত্যাচার ও হয়রানীর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য জীবনের নিরাপত্তার চেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় জিডি করছেন তাজুল ইসলাম ও গিয়াস উদ্দিন সেন্টু । গতকাল কোতায়ালী থানায় জিডি করা হয় । যার নম্বর-১৬১ তারিখ-৪/৪/২০২২। এদিকে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গতবুধবার রাতে স্মৃতি ও তার শশুর মোজাম্মেল হাওলাদার তাদের বাড়ীর সামনে একটি দোকনের কাঠামোতে আগুনদেয় বলে স্থানীয়রা জানায় । এরপর এই অপকর্ম করে স্মৃতি আক্তার আবার থানায় গিয়ে জসিম,সেন্টু ও তাজুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয় । পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন দেয়ার ঘটনার সত্যতা পায়নি ।এর আগেও এই স্মৃতি আক্তার জসিদের ৪ শতাংশ জমি দখলের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়োগ করে সে আবার থানায় এসে অবস্থান নিয়ে জসিমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে । উপায়ন্ত না পেয়ে জসিম ৯৯৯ ফোন করে সহায়তা চাইলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্মৃতির ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের তাড়িয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে । এখানেও ব্যার্থ হয়ে স্মৃতি চাঁদাবাজি, তার উপর হামলা,লুটপাটের একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে জসিম,সেন্টু ও তাজুলের বিরুদ্ধে । পুলিশ তদন্ত করে সে মামলায়ও সত্যতা পায়নি বলে একটি সুত্রে জানাগেছে । এলাকাবাসী জানায় ঐদিন মাজের বাড়ীতে চাঁদাবাজি স্মৃতির উপর হামলা ও লুটপাটের কোন ঘটনা ঘটেনি । উল্লেখ্য ডিঙ্গামানিক গ্রামের মৃত সেমোদ হওলাদারের ছেলে প্রতারক মজিদ ২০১০ সালে জসিম উদ্দিন হাওলাদারকে ৪ শতংশ সাফ করাবলা দলির প্রদান করে । যার নং ৬৩৫১ । এরপর এই একই জমি প্রতারক মজিদ প্রতারনার মাধ্যম স্মৃতির স্বামী সেলিমকে ২০২১সালে দলিল প্রদান করে । আবার এই একই জমি মজিদ স্মৃতিকে দলিল দেন ২৭,১২,২০২১ তারিখে । ২০১০ সাল থেকে প্রথম ক্রেতা জসিম এই জমি ভোগ দখলে আছে । স্মৃতিও জানতো ২০১০ সালে এই জমি জসিম উদ্দিন ক্রয় করে বালুদিয়ে ভরাট করে গাছপালা রোপন ও বিভিন্ন ফসল ফলায় এবং দীর্ঘ ১২ বছর ভোগ দখলে আছে । জানারপরও সে লোভেলোভান্বিত হয়ে এই জমি দখলে পায়তার শুরু করে ।স্মৃতি আক্তার বিভিন্নসময়ে এই জমি দখলের জন্য চেষ্টাসহ তার লোকজননিয়ে অরাজগতা সৃষ্টি করে ও একটিরপর একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT