ভারত বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু, দুই দেশের মৈত্রী সংলাপে এ্যাড. নানক ভারত বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু, দুই দেশের মৈত্রী সংলাপে এ্যাড. নানক - ajkerparibartan.com
ভারত বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু, দুই দেশের মৈত্রী সংলাপে এ্যাড. নানক

3:35 pm , February 19, 2022

 

পরিবর্তন ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ ও ভারতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে দুইদিনের মৈত্রী সংলাপ শুরু হয়েছে হিমাচল প্রদেশের শৈল-শহর সিমলাতে। প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ডায়ালগ’ নামে আয়োজিত এই সংলাপে উভয় দেশের একাধিক রাজনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞ অংশ নেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক সংলাপে অংশ নিয়ে বলেন, এ রকম একটি সংলাপে কথা বলা সৌভাগ্যের বিষয়। আমরা এমন একটা সময় সংলাপটি করছি, যখন বাংলাদেশ তার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছে। যখন আমরা আমাদের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উদযাপন করছি। তিনি বলেন, আমি কথা না বাড়িয়ে সরাসরি বলতে চাই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত বাণী ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’- এটা হলো আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি। তিনি বলেন, একটি ধর্মনিরপেক্ষ, সার্বভৌম ও স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই মূল বাণীর ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থকে এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ। নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্ধারিত পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর নীতি শুধু পরিপূরকই নয় বরং এটি দেশ ও অঞ্চল উভয়ের জন্যই আন্তর্জাতিক সংযোগ, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রাথমিক ঘূর্ণি হিসেবে কাজ করে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের ভূ-কৌশলগত প্রভাব সম্পর্কে খুব ভালোভাবে অবগত ছিলেন। বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ ভারতীয় ভূ-প্রকৃতির চূড়ায় বিশেষ করে বাংলা ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত। জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বহুমুখী এবং একটি গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আছে। ভৌগোলিক সংগতি, সাংস্কৃতিক অভিন্নতা এবং অর্থনৈতিক পরিপূরকতায় দেশ দুটি গভীরভাবে আবদ্ধ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই দেশের সম্পর্ক থেকে উদ্ভূত মনস্তাত্ত্বিক বন্ধন এবং দুই দেশের জনগণ পরস্পরকে কীভাবে দেখেন, তার একটি বড় দৃষ্টান্ত রয়ে গেছে। এছাড়া এটি প্রায়ই বলা হয় এবং স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ইতিহাস দ্বারা আবদ্ধ। সংলাপে উপস্থিত ছিলেন, হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রাজন সিং, ভারতের রাজ্যসভার সদস্য এমজে আকবর, ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পরিষদের সদস্য রাম মাধবজি প্রমুখ। ভারত-বাংলাদেশের এই মৈত্রী সংলাপটিকে আয়োজকদের অনেকেই অবশ্য পুরোপুরি ‘ট্র্যাক-টু’ বলতে রাজি নন, কারণ উভয় দেশের মন্ত্রী-আমলারাও এতে অংশ নিয়ে থাকেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT