3:38 pm , January 27, 2022
হোল্ডিং নম্বর পরিবর্তনের নামে বিভিন্ন ইউপি
বিশেষ প্রতিবেদক ॥ দক্ষিনাঞ্চলের বিভিন্ন ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে অনলাইন হোল্ডিং নম্বর করার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শপথ নেয়ার পরই চেয়ারম্যান ও সচিবরা এ কাজ করে। এ জন্য এনজিওর সাথেও চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন কিছু ইউপি চেয়ারম্যানরা। এ মিশন সফল করতে সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নে মাইকিং করা হয়েছে। এছাড়াও বিভাগের বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, এসব ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানরা আগের চেয়ারম্যানের হোল্ডিং সরিয়ে তার নামে নতুন হোল্ডিং নম্বর অনলাইনে করার নামে ১৫০ টাকা করে ঘর প্রতি আদায় করছেন। এতে একটি ইউনিয়ন থেকে গড়ে দশ লাখের বেশি টাকা আদায় করছেন প্রতি চেয়রাম্যান। অনেকস্থানে এটি সরাসরি চেয়ারম্যান ও সচিব নিয়ন্ত্রণ করছেন। ফলে এ বিষয়ে মেম্বর তেমন কিছু জানেন। ভুক্তভোগী এক গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, গ্রাম পুলিশের সাথে চেয়ারম্যানের নিযুক্ত লোক এসে বলছেন, আগের হোল্ডিং নম্বর চলবেনা। নতুন করতে হবে। রশিদে নতুন হোল্ডিং নম্বর দেয়া হলো। বেশ কয়েকটি বাড়িতে ঘুরে দেখা গেছে, যাদের হোল্ডিং নম্বর ২২৬ ছিল। তাদের নতুন রশিদে হোল্ডিং নম্বর ৩৪৫ বা ভিন্ন নম্বর দেয়া হচ্ছে। গ্রামবাসী শহীদুল বলেন, রশিদ হাতে লোক এসে বলছে এটা ডিজিটাল নতুন হোল্ডিং প্লেট খরচ। নতুন নম্বর নিতে হবে। সরকারি নির্দেশনা এটা। তবে এলাকার প্রবীণদের অনেকে বলছেন, এটা আসলে প্রতিহিংসা পরায়নতা। আগের চেয়ারম্যানের নাম সরিয়ে নিজের নামে হোল্ডিং বসনোর জন্য চেয়ারম্যান এটা করছেন। বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন খোকন বলেন, বিষয়টা আমিও শুনেছি। এটা খুবই খারাপ কথা। এমন কোনো বিষয় আমি কখনোই করবো না। যারা নতুন হোল্ডিং চাইবেন, শুধু তাদের জন্য নতুন হোল্ডিং হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, এরকম কোন নির্দেশনা সরকার থেকে দেওয়া হয়ছে বলে এখন পর্যন্ত আমি জানিনা। যেহেতু সরকারের কোন নির্দেশনা নাই সেহেতু এরকম নির্দেশনা দেওয়ার প্রশ্ন আসে না।
