ধ্বংসের মুখে পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংসের মুখে পোল্ট্রি শিল্প - ajkerparibartan.com
ধ্বংসের মুখে পোল্ট্রি শিল্প

3:35 pm , January 11, 2022

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ পোল্ট্রি ফিড ও টিকার দাম বৃদ্ধি পেলেও কমেছে ডিমের দাম। ফলে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন খামারীরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খামারীরা প্রথমদিকে ব্যবসায় লাভের মুখ দেখলেও করোনার শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে খাবার, টিকা ও বাচ্চার মূল্য বৃদ্ধি এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে ডিমের দাম কমে যাওয়ায় লেয়ার মুরগীতে লাভ কমতে শুরু করেছে। এরইমধ্যে করোনাভাইরাসের ধাক্কায় প্রায় প্রতিটি খামারে মড়ক শুরু হয়। দিনের পর দিন লোকসানে থাকা অনেক খামারী ইতোমধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন। তবে বেশির ভাগ খামারী ঋণ করে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে বিপাকে পড়েছেন। তাই এ শিল্প টিকিয়ে রাখতে পোল্ট্রি ফিডের দাম কমানোসহ সরকারী সহায়তার দাবি করেছেন খামারীরা। খামারীরা জানিয়েছেন, বিদেশে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির কথা বলে কোম্পানীগুলো দুই হাজার টাকার ফিডের বস্তা এখন দুই হাজার সাতশ’ টাকায় বিক্রি করছে। ফলে প্রতি বস্তায় অধিক সাতশ’ টাকা বাড়তি মূল্য দিতে হচ্ছে। পাশাপাশি তিনশ’ টাকার টিকার দাম বৃদ্ধি করে বিক্রি করা হচ্ছে পাঁচশ’ পঞ্চাশ টাকা। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খামারীদের কাছ থেকে কম মূল্যে ডিম ক্রয় করছেন। ফলে ধ্বংসের মুখে পড়েছে পোল্ট্রি ব্যবসা। তাই এ শিল্প টিকিয়ে রাখতে হলে জরুরি ভিত্তিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পোল্ট্রি ফিড ও টিকার দাম কমানোসহ সরকারীভাবে খামারীদের সহায়তার জন্য জোর দাবি করেছেন প্রান্তিক খামারীরা। জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রয়লার মুরগীর খামার রয়েছে ৯৬৯টি, লেয়ার ব্রয়লার মুরগীর খামার রয়েছে ৪২১টি এবং সোনালী মুরগীর খামারের সংখ্যা ১৬২টি। খামারীদের দুরাবস্থার কথা স্বীকার করে জেলা প্রানিসম্পাদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল আলম বলেন, করোনার শুরুতে ক্ষতিগ্রস্থ খামারীদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত প্রনোদনা দেওয়া হয়েছে। বতর্মানে খামারীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাজার মনিটরিং করে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT