ঝালকাঠি মহিলা কলেজে টীকাদানে বিশৃঙ্খলা ও চরম ভোগান্তির অভিযোগ ঝালকাঠি মহিলা কলেজে টীকাদানে বিশৃঙ্খলা ও চরম ভোগান্তির অভিযোগ - ajkerparibartan.com
ঝালকাঠি মহিলা কলেজে টীকাদানে বিশৃঙ্খলা ও চরম ভোগান্তির অভিযোগ

2:55 pm , January 8, 2022

 

ঝালকাঠি প্রতিবেদক ॥ ঝালকাঠি মহিলা কলেজে আগত ছাত্রীদের কোভিড ১৯ টীকাদানে বিশৃঙ্খলা ও চরম ভোগান্তির অভিযোগ অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার ঝালকাঠির প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে আগত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীরা সকাল ৮ টা থেকে লাইনে দাড়ায় ঝালকাঠি সরকারী মহিলা কলেজের গেটের সামনে। টীকা নিতে আগত শিক্ষার্থীরা লাইনে দাড়াতে দাড়াতে এক পর্যায়ে মহিলা কলেজ থেকে শিল্পকলা একাডেমী পর্যন্ত লাইন ঠেকে যায়। কিন্তু সকাল ৯ টায় টীকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করার কথা থাকলেও সকাল ১০টা পর্যন্ত মহিলা কলেজের গেট খোলেনি বলে অভিযোগ করেছে অনেক শিক্ষার্থী। এক পর্যায়ে রোদের তাপে শিক্ষার্থীরা আশেপাশের দোকানে ও গাছের নীচে ছায়ায় এলোমেলোভাবে দাড়ায়। এর ফলে মহিলা কলেজের সামনের রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হতে দেখা যায়। এ বিষয়ে মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হেমাযেত উদ্দিন জানান, টীকাদানে বিশৃঙ্খলা সৃস্টি হলে সেজন্য আমি বা আমার কলেজ দায়ী নয়। এটা স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ। কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে সে দায়ভার স্বাস্থ্যবিভাগ নিবে। আমি কলেজের ভেন্যু ব্যবহারের জন্য অনুমতি দিয়েছি মাত্র। এতে আমার উপর কোন দায়ভার বর্তায় না। তিনি আরো বলেন, খেলার জন্যে মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দিলে খেলার দায়ভার মাঠের মালিকের উপর বর্তায় না। তেমনি আমিও কলেজ ক্যাম্পাসে টীকা দেয়ার জন্যে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছি, তারপরও দাড়িয়ে থেকে চকিদারী দায়িত্ব পালন করছি যা আমার করার কথা ছিল নয়। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, নদীতে লঞ্চে আগুন লেগে মানুষ মারা গেছে কিন্তু সিভিল সার্জন চিলেন পিরোজপুরে, তাতে তাকে শাস্তিমূলক বদলি হয়েছে। সে দায়ভার অন্যের উপর দেয়া হয়নি। সিভিল সার্জনকেই নিতে হয়েছে।
টীকা নিতে আগত সুমি আক্তার ও তিশা জানায়, আমরা সকাল ৮ টা থেকে লাইনে দাড়িয়ে আছি। এখন প্রায় ১১ টা বাজে টীকা দিতে পারি নাই। লাইন শেষ হচ্ছে না। কলেজের ফটক ১০টার সময় খোলেনি। অন্য এক কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী জানান, আমি টীকা নেয়ার জন্য ভান্ডারিয়া থেকে এসে প্রায় ২/৩ ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে আছি।
ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা: মো: শিহাব উদ্দিন জানান, আমি ছুটিতে ঢাকা আছি। বিষয়টি আপনার কাছে শুনলাম, আমি অফিসে এসে বিস্তারিত জেনে ব্যবস্থা গ্রহন করবো। আমার অবর্তমানে এমও সিএস ডাঃ হাফিজ সাহেবকে দায়িত্ব দেয়া আছে তার সাথে কথা বলতে পারেন। এমওসিএস ডাঃ হাফিজুর রহমান জানান, টীকা নিতে আগত শিক্ষার্থীদের লাইনে দাড়ানোর ব্যবস্থাপনা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। রাস্তায় ছাত্রীদের কেন লাইনে দাড় করিয়ে রাখা হয়েছে সে প্রশ্নের জবাবে কলেজ কর্তৃপক্ষ দিতে পারবেন এবং সেটা তদেরকে আপনারা জিজ্ঞেস করতে পারেন। তিনি আরো বলেন, ঝালকাঠি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একদিনে সকল শিক্ষার্থীদের টীকা গ্রহনের সিডিউল দিয়েছেন। ফলে আমারা বিপাকে পড়েছি। তিনি যদি একদিনে না দিয়ে ৩/৪ দিনে দিতেন তাহলে এ সমস্যা হতো না। তারপরও আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।” টীকা নিতে আগত এক শিক্ষার্থীর অভিভাক জোৎসনা বেগম জানান, এরকম অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে টীকা নেয়া সম্ভব নয়। দাড়িয়ে থাকতে থাকতে পা ব্যথা হয়ে গিয়েছে। কলেজের ভিতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না তাই রাস্তায় দাড়িয়ে আছি। মহিলা কলেজের গেটে দায়িত্বে থাকা শহিদুল ইসলাম জানান, আমি সকাল ৯টা থেকে গেট খুলে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রবেশ করার কাজে ছিলাম। আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT