ঝালকাঠির প্রস্তাবিত বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মানে মামলা জটিলতার সমাপ্তি ঝালকাঠির প্রস্তাবিত বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মানে মামলা জটিলতার সমাপ্তি - ajkerparibartan.com
ঝালকাঠির প্রস্তাবিত বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মানে মামলা জটিলতার সমাপ্তি

2:14 pm , November 24, 2021

রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, ঝালকাঠি ॥ ঝালকাঠি আদালতের আদেশের মধ্য দিয়ে প্রস্তাবিত ১৩২/৩৩ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মানে জটিলতার সমাপ্তি হলো। ঝালকাঠির যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো.সাইফুল আলম উভয় পক্ষের শুনানীতে মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করেন। ঝালকাঠির শহর সংলগ্ন সংগ্রামনীল এলাকায় ২ একর পৌনে ৯৫ শতাংশ সম্পত্তিতে সরকার ঝালকাঠির বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে এ উপকেন্দ্র নির্মানের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু জমির মালিক পক্ষ ইসরাফিল হাওলাদারগং সহ মোট ১২ জন এ প্রকল্প বাস্তবায়নে তাদের সম্পত্তিতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রী চেয়ে এ আদালতে আবেদন করে। চলতি বছরের গত ২৭ সেপ্টেম্বর আদালতে এ মামলা করে বাদী পক্ষ। এতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ জালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, উপসচিব, জেলা প্রশাসক, নির্বাহী প্রকৌশলী পিজিসিবি বরিশালসহ ৭ জনকে বিবাদী করা হয়। গত ১৫ নভেম্বর ধার্য্য তারিখে উভয় পক্ষের শুনানী শেষে মামলা খারিজ করেছে আদালত। সরকার পক্ষে ১ নং বিবাদী পিজিসিবি’র রুপাতলী বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং ৪ ও ৫নং বিবাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ঝালকাঠির এজিপি গোলাম কিবরিয়া ঝন্টু।
এ মামলায় এজিপি গোলাম কিবরিয়া ঝন্টু তার বর্ণনায় উল্লেখ করেন, ঝালকাঠি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে লোডশেডিং এর জন্য আমরা বরিশালের উপর নির্ভরশীল। এ সমস্যা দূর করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পশ্চিমাঞ্চলীয় পাওয়ার গ্রীড প্রকল্প একনেক সভায় উত্থাপন করেন। যা ২০১৯ সনের ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঝালকাঠির এমপি আমির হোসেন আমুর উপস্থিেিত অনুমোদন হয়। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের ১৫ জেলায় নতুন উপকেন্দ্র নির্মান করা হবে। এরমধ্যে ঝালকাঠি জেলাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। যাতে ঝড় বাতাসসহ আবহওয়ার অবনতিতে গাছ ভেঙ্গে বৈদুতিক লাইনে পড়ে বিদুৎ সরবরাহ বন্ধ না থাকে। উপকেন্দ্রটি নির্মান হলে বাড়তি বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করে রাখা সম্ভব। ফলে দূর্যোগের সময় সংরক্ষিত বিদ্যুৎ সরবারাহ করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখা সম্ভব। এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প বলে বিবাদী পক্ষের আইনজীবী ঝন্টু উল্লেখ করেন। আদালতের বর্ণনায় আরো উল্লেখ করা হয় সরকারের এ প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৯ সনের ১ অক্টোবর হতে ২০২৪ সনের ৩০ জুন পর্যন্ত। গুগল মানচিত্র অনুযায়ি ড্রোনের মাধ্যমে এ জমি চিহ্নিতকরা হয়। হাই ভোল্টেজের কারনে প্রকল্পের আশেপাশে বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান না থাকায় এ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে ক্ষতির কোন সম্ভাবনা নেই। ঝালকাঠি জেলঅ প্রশাসক গত ১৯ আগষ্ট জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভায় ৫ একর সম্পত্তি অধিগ্রহনের জন্য যাচাই করে লেআউট প্লান প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। বর্তমানে প্রকল্পের দরপত্র চুড়ান্তকরনের কাজ চলমান আছে। উল্লেখ করা হয় বিদ্যুৎ আইন ২০১৮ সনের ৭ ধারায সঞ্চালন লাইন হিসেবে এরুপ প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহন জনস্বার্থে বিবেচিত।

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT