শেবাচিমের মর্গের ডোমের সঙ্গে ডেপুটি জেলারের ঝগড়া শেবাচিমের মর্গের ডোমের সঙ্গে ডেপুটি জেলারের ঝগড়া - ajkerparibartan.com
শেবাচিমের মর্গের ডোমের সঙ্গে ডেপুটি জেলারের ঝগড়া

3:24 pm , November 7, 2021

 

শিকদার মাহাবুব ॥ মৃত যাবজ্জীবন দন্ডিত কয়েদির ময়না তদন্তের কাজে সহযোগিতা করা ডোমের টাকা না দেয়ায় ডেপুটি জেলারের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার দুপুরে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে এ ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ফারুক নামে এক কয়েদির লাশ নিয়ে ময়নাতদন্ত করার জন্য গতকাল হাসপাতালের লাশ ঘরে যায় তার পরিবার। এসময় মৃত ফারুকের পরিবারের কাছে আড়াই হাজার টাকা দাবি করে ডোম বিজয়। পরে সতের শত টাকা দিলে ফারুকের পরিবারের ওপর ক্ষিপ্ত হয় ডোম বিজয়।এমনকি চাহিদামত টাকা না দেওয়ায় ফারুকের পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে ডোম বিজয়। এ সময় গালমন্দের প্রতিবাদ করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের হাবিলদার বাদল। কিন্তু প্রতিবাদ করার কারনে হাবিলদার বাদলের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হয় ডোম বিজয়। এ সময় বাদল ও ডোম বিজয়ের ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করে কারাগারের ডেপুটি জেলার মো. মনির। এক পর্যায় ডোম বিজয় ডেপুটি জেলার মনিরের সঙ্গেও খারাপ আচরন করে। তবে ডোম বিজয় এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে একটি লাশ ময়না তদন্তর জন্য বাইশ শত টাকা দেওয়া হয়। এর বেশি আমরা কোন টাকা নেই না। আর কয়েদির লাশ কাটা নিয়ে কোন ঝামেলাও হয়নি।
এদিকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মনির হোসেন বলেন, ‘লাশকাটা ঘরের ডোম বিজয় মৃত কয়েদির পরিবারের কাছে চা খাওয়ার জন্য কিছু টাকা দাবী করেছে মাত্র। এর বেশি আর কিছুই হয়নি’। অন্যদিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডাঃ মনিরুজ্জামান শাহিন বলেন, ‘লাশ কাটা ঘরের ডোমদের জন্য সরকার বেতন দেয়। তারপরও ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে টাকা দাবী করা অন্যায়’।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT