শেবামেক হাসপাতালের কর্মচারীদের মধ্যে মারামারি ৭ জনকে সরিয়ে নেওয়ার গুঞ্জন শেবামেক হাসপাতালের কর্মচারীদের মধ্যে মারামারি ৭ জনকে সরিয়ে নেওয়ার গুঞ্জন - ajkerparibartan.com
শেবামেক হাসপাতালের কর্মচারীদের মধ্যে মারামারি ৭ জনকে সরিয়ে নেওয়ার গুঞ্জন

2:37 pm , October 5, 2021

শিকদার মাহাবুব ॥ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ৬ কর্মচারীকে সরিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মেডিকেল অফিসার ডাঃ রেজোয়ান তাহসিন এর বিরুদ্ধে। হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডের কর্মচারী রাকিবকে দীর্ঘদিন পর জরুরী বিভাগে বদলি করা হলে এমন জটিলতার সৃষ্টি হয়। এছাড়াও সোমবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে সরকারী কর্মচারী শান্ত ও অতিরিক্ত কর্মচারী স্বপনের মধ্যে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ট্রলি নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটলে জটিলতা আরও বৃদ্ধি পায়। যে কারনে জরুরী বিভাগের সরকারী কর্মচারী শান্ত ও অতিরিক্ত কর্মচারী স্বপন,সোহান, সিদ্দিক, রাকিব ও বাবুসহ কয়েকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাষ্টার হাফেজ মোঃ আবুল কালাম বলেন, ‘ এসব কর্মচারীদের সরিয়ে নেওয়া হয়নি। সরকারী কর্মচারী শান্ত ও অতিরিক্ত কর্মচারী স্বপনের মধ্যে ট্রলি নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে ঠিক। তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। ফের নিয়মের বাহিরে কাজ করলে তাদেরকে এখান থেকে সরানোর জন্য পরিচালক স্যারকে জানানো হবে’।
অন্যদিকে ভিআইপি কেবিনের ইনচার্জ কানিজ ফাতেমা মুক্তার শেল্টারে নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে রাবেয়া নামের এক আয়া। কিছুদিন পূর্বে ভিআইপি কেবিনের মধ্যে ধরে নিয়ে রাবেয়াকে মারধর করা হয়। জানা গেছে, ‘ অভাবগ্রস্থ পরিবারের সদস্য হওয়ায় হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলাম অনুগ্রহ করে একটি কাজ দিয়েছিলেন রাবেয়াকে। কিন্তু নানা রকমের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ইনচার্জ কানিজ ফাতেমা,আয়া রেহেনা ও অনু রাবেয়ার ঝাড়–সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ভেঙে ফেলে।এমনকি রাবেয়াকে কেবিনে কাজ করতে নিষেধ করেছে কনিজ ফাতেমা। তারপরও পেটের ক্ষুধায় রাবেয়া কেবিনের ডিউটি ছাড়েনি। সর্বশেষ কেবিন থেকে না যাওয়ার কারনে নার্স ইনচার্জ কনিজ ফাতেমার শেল্টারে রেহেনা ও অনু রাবেয়াকে মারধর করে। রাবেয়ার পায়ে জখমের চিহ্নও রয়েছে। বর্তমানে রাবেয়া ও তার পরিবার অনাহারে রয়েছে। মারধরের শিকার অতিরিক্ত আয়া রাবেয়া বেগম বলেন, ‘আমি অভাবগ্রস্থ পরিবারের সদস্য হওয়ায় হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলাম স্যার দয়া করে আমাকে একটি কাজ দিয়েছিলেন। কিন্তু নানা রকমের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ইনচার্জ কানিজ ফাতেমা,আয়া রেহেনা ও অনু আমার ঝাড়–সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ভেঙে ফেলেছে।এমনকি কেবিনে কাজ করতে নিষেধ করেছে নার্স কানিজ ফাতেমা। তারপরও পেটের ক্ষুধায় আমি কেবিনের ডিউটি ছাড়িনি। সর্বশেষ এখান থেকে না যাওয়ার কারনে নার্স ইনচার্জ মুক্তার শেল্টারে রেহেনা ও অনু আমাকে মারধর করে। আমার পায়ে জখমের চিহ্ন রয়েছে । বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার অনাহারে রয়েছে ’। তবে সাক্ষাতে কথা হলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কেবিনের নার্স ইনচার্জ কানিজ ফাতেমা মুক্তা বলেন, ‘আমার চার্জে ২৪টি কেবিন রয়েছে।আয়ারা কেবিন থেকে টাকা নিচ্ছে, তা আমি জানি। তবে জোর করে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নিতে বারন করা হয়েছে’। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য হাসপাতাল পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা রিসিভ হয়নি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT