সাত দিনের মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালের ৮০ ভাগ সমস্যার সমাধান হবে -স্বাস্থ্য সচিব সাত দিনের মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালের ৮০ ভাগ সমস্যার সমাধান হবে -স্বাস্থ্য সচিব - ajkerparibartan.com
সাত দিনের মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালের ৮০ ভাগ সমস্যার সমাধান হবে -স্বাস্থ্য সচিব

2:37 pm , September 25, 2021

হেলাল উদ্দিন ॥ বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের সার্বিক চিত্র দেখে কষ্ট পেয়েছি। হাসপাতাল চত্ত্বর বেশ অপরিচ্ছন্ন, যত্রযত্র ময়লা আবর্জনার স্তুপ। এছাড়া অবকাঠামোগত অবস্থা দেখেও সন্তুষ্ট হতে পারিনি। তবে হতাশ হওয়ার কারন নেই। আগামী ৭ দিনের মধ্যে হাসপাতালের ৮০ ভাগ সমস্যার সমাধান হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া জনবলসহ অন্যান্য সমস্যাগুলো ধাপে ধাপে সমাধান করা হবে। হাসপাতালে কোন ক্ষেত্রেই সমস্যা বা সংকট রাখব না। গতকাল শনিবার দুপুরে বরিশাল সফরের দ্বিতীয় দিনে শিল্পকলা একাডেমি মঞ্চে সমন্বিত কোভিড ব্যাবস্থাপনা “বরিশাল মডেল শির্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেণ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে যোগদান করার পর বাকি ৯ জন অতিরিক্ত সচিব করোনা আক্রান্ত। খুব দুচিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। তারপরও হাল ছাড়িনি। সর্বাতœক চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছি। রাত ২ টা পর্যন্তও অফিস করেছি। চীনের সাথে টিকা চুক্তির কারনে বাবার মৃত্যু পরবর্তী মিলাদ ও চল্লিশায় থাকা সম্ভব হয়নি। তখন ব্যক্তি ও পরিবারের কথা না ভেবে দেশের মানুষের কথা ভেবেছি। কিভাবে এই মহামারী থেকে দেশটাকে রক্ষা করা যায়। আল্লাহর অশেষ রহমত, প্রধানমন্ত্রীর নিরলশ প্রচেষ্টা ও দক্ষ নেতৃত্বের কারনে সকলের সহযোগিতায় সফল হতে পেরেছি।
সচিব বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ ভাগ মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া বিশে^র শক্তিশালী দেশের সাথে টিকা পাওয়ার বিষয়ে চুক্তি করা হবে। দেশে টিকার কোন অভাব থাকবে না। তিনি আরো বলেন দেশের সকল হাসপাতালে ১০ বেডের আইসিইউ করা হবে। এ জন্য সকল কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে অনেক পুরানো হাসপাতাল ভবন রয়েছে তা ভেঙে ফেলে নতুন ভবন করা এবং চিকিৎসকসহ সকল জনবল ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান করা হবে।
তিনি চিকিৎসক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, হাসপাতাল তথা কর্মস্থল কে নিজ বাসভবন মনে করতে হবে। নিজের বেডরুম যেমন প্রতিদিন পরিস্কার করেন। তেমনি হাসপাতালটিকেও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আপনাদের আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার চিত্রপট পাল্টে দিতে পারে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বশির আহমেদ, ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক আব্দুস সালাম, ইউনিসেফ-এর হেলথ সেকশনের চীফ সান জানা ভার্দওয়াজ প্রমুখ। এছাড়াও বরিশাল বিভাগের সব জেলা প্রশাসক, ইউএনও, হাসপাতাল প্রধান ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অংশগ্রহন করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার নানাবিধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। বরিশালে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বরিশাল জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা বেশি ছিলো। সময়ের সাথে সাথে সকল দপ্তরের সমন্বয়ে সমন্বিত কোভিড ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বরিশাল বিভাগে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে দেশের মধ্যে বরিশাল বিভাগ করোনা মোকাবিলায় মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT