উজিরপুরের সোহাগ হত্যা মামলায় দুই আসামীর ফাঁসি উজিরপুরের সোহাগ হত্যা মামলায় দুই আসামীর ফাঁসি - ajkerparibartan.com
উজিরপুরের সোহাগ হত্যা মামলায় দুই আসামীর ফাঁসি

2:55 pm , September 15, 2021

৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ উজিরপুরের কলেজ ছাত্র সোহাগ সেরনিয়াবাত হত্যা মামলায় দুই আসামীর মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়াও ৪ আসামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। ঘটনার সাত বছর পর গতকাল বুধবার জননিরাপত্তা বিঘœকারী অপরাধ দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক টি এম মুসা এ রায় দেন। মৃত্যু দন্ডে দন্ডিতরা হলো- জিয়াউল হক লালন ও রিয়াদ সরদার। যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিতরা হলো-মামুন, ইমরান, বিপ্লব ও ওয়াসিম সরদার। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত ইমরান ছাড়া অপর সকল আসামী রায় ঘোষণার সময় আদালতের উপস্থিত ছিল। রায়ের পর তাদের কড়া নিরাপত্তা প্রহরায় বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাদী পক্ষের আইনজীবী এটিএম আনিসুর রহমান ও পিপি এ্যাড. লস্কর নুরুল হক জানান, উজিরপুরের পৌর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহাগ স্থানীয় একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলো। এলাকায় তার একটি পোশাকের দোকানও ছিল। ২০১৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর রাতে আসামিরা উজিরপুরের রাখালতলা এলাকায় সোহাগকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এর আগে বিভিন্ন সময় সোহাগের কাছ থেকে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আসামিরা। তা না পাওয়ার সোহাগের দোকানে ভাঙচুরও চালানো হয়। এর জেরেই সোহাগকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মামা খোরশেদ আলম ১৩ জনকে আসামি করে উজিরপুর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ওই বছরের ২২ নভেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেয়। ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং প্রমাণ ও আলামত বিবেচনায় বিচারক ওই রায় দিয়েছেন বলে জানান আইনজীবী।
তদন্ত প্রতিবেদন সুত্রে জানা গেছে, ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী রিয়াদ ও নিহত সোহাগ সেরনিয়াবাত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। তাদের পরস্পরের বাড়িতে আসা যাওয়া ছিল। সেই সুবাদে রিয়াদের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া সর্ম্পকে জড়িয়ে পড়েন নিহত সোহাগ। পরে স্ত্রী রিয়াদকে ছেড়ে সোহাগের সাথে সংসার শুরু ক?রেন। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিলো। ওই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে রিয়াদ অপর ফাঁসির দন্ডে দন্ডিত জিয়াউল হক লালনের দাদা বাহিনীতে। এই বাহিনীতে যোগ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে সোহাত সেরনিয়াবাতকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম নামে নিহত সোহাগের আরেক বন্ধু গুরুত্বর আহত হয়েছিল।
নিহতের বাবা ফারুক হোসেন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। তবে যারা বেকসুর খালাস পেয়েছেন তারাও হত্যায় জড়িত ছিলেন। রায়ের পূর্ণাঙ্গ আদেশের কপি পেলে তা নিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আশা করি, হত্যায় জড়িত থাকার অপরাধে উচ্চ আদালত তাদের শাস্তি দিবে।’ নিহতের মা শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘রায়ে খুশি হয়েছি। তবে খালাসপ্রাপ্ত ১০ জনের সাজা দিলে আরও ভালো হতো। তারাও আমার ছেলের হত্যায় জড়িত ছিল।’

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT