লালমোহনে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা লালমোহনে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা - ajkerparibartan.com
লালমোহনে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা

2:47 pm , September 15, 2021

লালমোহন প্রতিবেদক ॥ লালমোহনে শাহাজান মিয়া (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সুদি কারবারিদের বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড রায়রাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহাজান মিয়া ওই গ্রামের ছফর আলী সর্দার বাড়ির মৃত মফিজ সর্দারের ছেলে। এদিকে স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে নিজে বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন নিহতের স্ত্রী ভানু বিবি। মামলা নং-১১।
মামলার বিবরণ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, একই বাড়ির মৃত ইমান আলী সর্দারের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর সর্দারের ছোট ভাই মো. আলমগীর প্রবাসে থাকেন। গত কয়েক মাস পূর্বে ওই প্রবাসীর কাছ থেকে সুদে টাকা নেন নিহত শাহাজান মিয়ার ছোট ভাই আবুল কালাম। সুদের ওই টাকা সময়মতো পরিশোধ করতে না পেরে আরও এক মাস সময় চান ঢাকায় কর্মরত আবুল কালাম।
এদিকে সুদের টাকা ফেরত না পেয়ে বড়ভাই জাহাঙ্গীরের কাছে বিচার দেয় প্রবাসী আলমগীর। তাই আবুল কালামের কাছ থেকে পাওনা টাকার বদলে তার ভাই শাহাজানের বসতঘরের পেছনে থাকা জমি দখলের পায়তারা চালায় জাহাঙ্গীর। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার সকালে ওই জমিতে মাটি কাটতে থাকে জাহাঙ্গীর ও তার লোকজন। এনিয়ে বাঁধা দিতে গেলে বৃদ্ধ শাহাজান মিয়াকে মারধর করে তারা। একপর্যায়ে হামলাকারীরা বৃদ্ধ শাহাজান মিয়াকে উপরে তুলে নিচে মাটিতে আচড়ে ফেলে। এতে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারান তিনি। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন, এ সংক্রান্তে মামলা রুজু করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলায় মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT