লালমোহনে অসামাজিক কার্যাকলাপের অভিযোগে তরুণীসহ তাঁতী লীগ নেত্রী আটক লালমোহনে অসামাজিক কার্যাকলাপের অভিযোগে তরুণীসহ তাঁতী লীগ নেত্রী আটক - ajkerparibartan.com
লালমোহনে অসামাজিক কার্যাকলাপের অভিযোগে তরুণীসহ তাঁতী লীগ নেত্রী আটক

3:16 pm , August 27, 2021

লালমোহন প্রতিবেদক ॥ ভোলার লালমোহনে আবাসিক বাসায় তরুনী রেখে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। লালমোহন ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের তালতলা গ্রামে মোছা: শাহিনুর বেগম দীর্ঘদিন থেরাপী ব্যবসার আড়ালে নিজের বাড়িতে এমন অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযোগ পেয়ে লালমোহন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহিদুল ইসলাম থানা পুলিশসহ ওই বাসায় অভিযান চালায়। এসময় বাসায় এক তরুনী পাওয়া যায়। এসময় ঘরের আশেপাশে ব্যবহৃত কনডম পাওয়া যায়। লালমোহন ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড চৌকিদার বাড়ির পাশে নবনির্মিত একটি ভবনে দীর্ঘদিন ধরে এমন কর্মকান্ড চলছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
শাহিনুরের স্বামী শাহে আলম ঢাকায় ভ্যান গাড়ি চালায়। তা সত্ত্বেও বাড়িতে শাহিনুর একতলা ছাদ দিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করে। বাসায় নতুন ফ্রিজ, সোফাসহ দামী আসবাবপত্রও রয়েছে। স্থানীয় নারী-পুরুষসহ একাধিক প্রতিবেশী জানান, ওই ভবনে থেরাপী ব্যবসার আড়ালে তার মূল কর্মকান্ড বিভিন্ন অপরিচিত মেয়েদের এনে অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করা। তার বাড়িতে প্রতিদিনই মোটরসাইকেল নিয়ে অপরিচিত লোকদের আনাগোনা চোখে পড়ে আশপাশের লোকজনের। এনিয়ে পার্শ্ববর্তী লোকজন শাহিনুরকে কিছু বললে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শাহিনুরের আপন ভাসুর ওই ওয়ার্ডের ইউপি চৌকিদার। তিনি শাহিনুরের এসব কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দিয়ে তাকে জেল পর্যন্ত খাটায়। এছাড়া এলাকার আরো কয়েকজন প্রতিবাদ করলে তাদেরও হয়রানী করে। যার কারণে শাহিনুরের কর্মকান্ড নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়। শাহিনুরের বাসায় পাওয়া তরুনীর নাম মিতু। তার বাবা মা ঢাকা থাকে বলে সে জানায়। শাহিনুরের বাসায় তার ভিজিটিং কার্ড পাওয়া গেছে। যাতে শাহিনুরের পরিচয় ভোলা জেলা তাঁতী লীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। তাদের আটক করে আনার সময় শাহিনুরের দৃস্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে এলাকাবাসী মিছিলও করে। শাহিনুর ও মিতুকে আটক করে থানায় নিয়ে আসলেও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, সুনির্দিস্ট কোন অভিযোগ বা প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টে সাজা দেয়া যায়নি।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন, এখনও শাহিনুর ও মিতু থানা হেফাজতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT