শেবাচিমে অক্সিজেন সিলিন্ডার-অক্সিমিটার চুরির ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন শেবাচিমে অক্সিজেন সিলিন্ডার-অক্সিমিটার চুরির ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন - ajkerparibartan.com
শেবাচিমে অক্সিজেন সিলিন্ডার-অক্সিমিটার চুরির ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন

3:18 pm , August 22, 2021

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ড থেকে প্রায় ১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ৩০টি অক্সিমিটার চুরির ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে তদন্ত কমিটি গঠন করে কোনো লাভ নেই বলে অভিযোগ করেছেন এই হাসপাতালে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা- কর্মচারী। এখানকার একাধিক কর্মকর্তা- কর্মচারী অভিযোগ করে বলেন, এটা বিভাগীয় হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ড হলেও এখানে কোনো ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা নেই। যে কারণে চুরি, দুর্ঘটনা কিংবা মারামারির ঘটনা ঘটলেও কোনোরকম মনিটরিং হচ্ছে না। আর এ কারণে বিভিন্ন অপকর্ম করেও পার পেয়ে যাচ্ছে অনেকে। জানা গেছে, করোনা ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি আয়া ও ওয়ার্ড বয় (অতিরিক্ত) নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এসব অতিরিক্ত কর্মচারীদের মাধ্যমে ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র চুরি করে হাসপাতালের বাহিরে বিক্রি করা হচ্ছে। আর এসব কর্মচারীদের শেল্টার দিচ্ছে হাসপাতালের উপরস্থ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। কর্মচারীরা খালি হাতে ওয়ার্ডে ডিউটি করতে এলেও তারা জিনিস ভর্তি ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে যায়। করোনা ওয়ার্ডে ডিউটি পালনকারীরা তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে বলা হয় পরিত্যক্ত বোতল ও কাগজে ভরা তাদের ব্যাগে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে কেউ করোনা ওয়ার্ডে প্রবেশ করতে চায় না। আর করোনা ওয়ার্ডের পরিত্যক্ত বোতল ও কাগজে ভর্তি ব্যাগ নিয়ে বাসায় যাওয়া হচ্ছে ! ভাবতেও অবাক লাগে। তাছাড়া এখানকার চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজন ও কর্মচারীদের বেরিয়ে যাওয়ার সময় কোন রকমে তল্লাশী করা হয় না। সম্প্রতি হাসপাতালে আনসার নিয়োগ দেওয়া হলেও তারা কোনরকমে তল্লাশীর কাজ করছে না। এদিকে করোনা ওয়ার্ডের অক্সিজেন সিলিন্ডারের দায়িত্বে থাকা মোঃ সোহেল রানা বলেন, ‘আমার দায়িত্ব হচ্ছে খালি অক্সিজেন সিলিন্ডারের বিনিময়ে অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার সরবরাহ করা। অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মিটার চুরি হওয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’
অন্যদিকে হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচ.এম সাইফুল ইসলাম জানান, এই হাসপাতালে সরকারিভাবে সরবরাহ করা ও বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের অনুদান পাওয়া ৬২৮টি অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে। কিন্তু হাসপাতাল থেকে কিছুদিন আগে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও অক্সি মিটার উধাও হওয়ার বিষয়ে ৫ সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রধান করা হয়েছে সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মনিরুজ্জামানকে। কমিটির অপর সদস্য করা হয়েছে সহকারী পরিচালক ডা. মো. নাজমুল হোসেন, ডা. মাহমুদ হোসেন, স্টোর অফিসার অনামিকা ও সেবা তত্ত্বাবধায়ক সেলিনা আক্তারকে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT