লকডাউন শেষে সরগরম কুয়াকাটা লকডাউন শেষে সরগরম কুয়াকাটা - ajkerparibartan.com
লকডাউন শেষে সরগরম কুয়াকাটা

3:52 pm , August 21, 2021

আরিফ সুমন, কুয়াকাটা ॥ করোনার সংক্রমণ রোধে সর্বাত্মক লকডাউন শেষে প্রায় ৫ মাস পর পর্যটকের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠেছে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমি কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্র । বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে শুক্রবার থেকে পর্যটকের আগমন বাড়তে শুরু করছে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। আগত পর্যটকদের আতিথিয়েতায় ব্যস্ত সময় পার করছেন হোটেল মোটেলসহ পর্যটনমুখী ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার সকাল থেকে পর্যটকদের সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে হই হুল্লোরে মেতে উঠতে দেখা গেছে। কিন্তু তেমন জোরদার নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার উপর। দেখা যায়নি অধিকাংশ পর্যটকদের মাস্কের ব্যবহার। শনিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগত পর্যটকদের অনেকেই সৈকতের ঢেউয়ে গা ভাসিয়ে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। দীর্ঘদিন পর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের ভিড়ে প্রান চাঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে এই পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে। তবে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন পর্যটন মৌসুম না হওয়ায় ভীড় অনেকটাই কম থাকবে। আগত এ সকল পর্যটকদের শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মানতে ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও থানা পুলিশসহ মাঠে ভ্রাম্যমান আদালতের টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন। করোনা ভাইরাস দ্বিতীয় সংক্রম রোধে গত ১ লা এপ্রিল থেকে পর্যটন স্থান গুলোতে ভ্রমনে সরকারের নিষেধাজ্ঞা জারির পর বড় লোকসানের মুখে পড়ে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এবার হয়তো লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবে ব্যবসায়ীরা এমনটাই প্রত্যাশা পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের। করোনার সংক্রমণ রোধ ও সর্বাত্মক লকডাউনের প্রভাবে গত পাঁচ মাসে কুয়াকাটা পর্যটন ব্যবসায়ীদের বিপুল ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দুই শতাধিক হোটেল – মোটেল – রেস্তোরাঁ ও শুঁটকি ব্যবসায়ী সহ প্রায় এক হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বেশি ক্ষতিগ্রস্থ বেশি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে বলে ধারনা হোটেল মোটেল ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT