নগরীর তৈরি পোষাকের দোকানে ক্রেতায় ভাটা নগরীর তৈরি পোষাকের দোকানে ক্রেতায় ভাটা - ajkerparibartan.com
নগরীর তৈরি পোষাকের দোকানে ক্রেতায় ভাটা

3:39 pm , August 13, 2021

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ লকডাউন তুলে নেয়া হলেও নগরীর বানিজ্যিক এলাকাগুলোর অনেক স্থানেই এখনও কাটেনি তার প্রভাব। বিশেষ করে নগরীর পোষাকের বাজারে এখনও চলছে বিগত লকডাউনের বিরুপ প্রভাব। আলাপে এমনটাই জানিয়েছে নগরীর গীর্জা মহল্লা, কাটপট্রি ওচকবাজারের তৈরি পোষাকের বিক্রেতারা। তারা বলেছে ক্রেতাদের চাহিদা এখন অতি প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মধ্যেই অনেকটা সীমাবদ্ধ। ভালো লাগা বা পছন্দের পোষাক কিনতে ক্রেতা ভিরছে না তাদের বিক্রয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে। তাইতো দিনের বেশিরভাগ সময় অলস সময় পার করতে হচ্ছে। দু এক জন ক্রেতা মেলাও এখন ভার। একে দির্ঘ লকডাউনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর পর তা শেষ হলেও ব্যাবসা জমছে না বিগত দিনের প্রভাবে। এমন পরিস্থিতি থাকলে খরচ তোলাও মুশকিল হয়ে যাবে বলছেন তারা। এছাড়া কর্মচারিদের বেতন দিতে না পরলে ব্যাবসা বন্ধ করে দিতে হবে স্থায়ীভাবে।
গতকাল নগরীর গীর্জা মহল্লা, কাটপট্রি ও চকবাজারের বিভিন্ন প্রতিষ্টানে ঘুরে দেখা গেছে এমন করুন দৃশ্য। বেশিরভাগ পোষাকের দোকানে কোন ক্রেতা নেই। দোকানিদের দেখা গেছে একবারেই অলস সময় পার করতে। সামনে পুজা আসছে। প্রতিবছর এই সময় বেচাকেনা শুরু হয়ে যায় বলে জানান দোকানী আনোয়ার মিঞা। তবে এবারে চিত্র একবারেই আলাদা। সকাল ৯ টায় দোকান খুলে বেলা ২ টা পর্যন্ত বিক্রয়ের খাতা খোলা হয়নি তার। ওদিকে রয়েছে ২ জন কর্মচারি। এবারের লকডাউন মধ্যবিত্তদের আর্থিক অবস্থা একবারে নিংড়ে নিয়েছে বলেন তিনি। নিত্য প্রয়োজনের দ্রব্যাদির বাইরে তাই এখন কেনাকাটা করার খুব একটা আগ্রহ নেই সাধারন ক্রেতাদের। তাই ক্রেতাও ভীরছে না তেমন একটা। ক্রেতা না এলে সাভাবিক ভাবেই দোকানিরা ধ্বংস হয়ে যাবে বলেণ এই ব্যবসায়ী। কারন ক্রেতা না এলেও, বেচাকেনা না হলেও মাস শেষে ভাড়া ঠিকই পরিশোধ করতে হবে। দিতে হবে কর্মচারিদের বেতনও। তাই এমন পরিস্থিতি থাকলে আর টিকে থাকতে পারবেন না বলে জানান আনোয়ার মিঞা।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT