ভোলা হাসপাতাল কেন্দ্রে টিকা প্রত্যাশিতদের ঢল ভোলা হাসপাতাল কেন্দ্রে টিকা প্রত্যাশিতদের ঢল - ajkerparibartan.com
ভোলা হাসপাতাল কেন্দ্রে টিকা প্রত্যাশিতদের ঢল

3:25 pm , August 8, 2021

মো: আফজাল হোসেন, ভোলা ॥ ভোলায় করোনার টিকা দিতে গিয়ে চরম হয়রানী আর লাঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে। শৃংখলা না থাকায় বিশৃংখলাসহ হাতাহাতির ঘটনায় চরম ক্ষোভ টিকা প্রত্যাশিদের। দ্বায়িত্ব পালনে বাঁধার অভিযোগ হাসপাতাল স্টাফ ও প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকের দালালদের বিরুদ্ধে। চরম ক্ষোভ পুলিশ এবং রেড ক্রিসেন্টকর্মীদের মাঝে। অপরদিকে টিকা চেয়ে আবেদন সিভিল সার্জনের। সকাল থেকেই ভোলার সদর হাসপাতালমুখী ছিল টিকা প্রতাশিদের মানব স্রোত। হাজার হাজার মানুষ এসে জড়ো হয়েছে টিকা দেয়ার জন্য। ভীর সামলাতে হিমশিম খেতে হয় দ্বায়িত্বে থাকা রেড ক্রিসেন্টকর্মীদের। তবে আইনশৃংখলা বাহিনীর ২/১ জন সদস্য থাকলেও হাজার মানুষ সামলাতে পারেনি। এর মাঝে বহিরাগত বিভিন্ন স্থানের দালালরা ঝামেলা সৃষ্টি করে। কেউ আবার পুলিশ এর কাজে বাঁধা সৃস্টি করে। বেসরকারী একটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকের একজনকে ধরে ফেলে পুলিশ। দ্বায়িত্বরত পুলিশের ঐ সদস্য বলেন, তিনি যখন শৃংখলার কাজে ব্যস্ত ছিলেন, মাত্র দু’জন কনস্টেবল। তখন হাসপাতালের পাশেরই একটি বে-সরকারী ক্লিনিক এবং ডায়াগনষ্টিকের একজন তার কাজে বাঁধা প্রদান এবং ধাক্কা দিয়ে বিশৃংখলা সৃস্টি করে। পরে তাকে সেখান থেকে ধরে বাহিরে আনা হলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছেড়ে দেয়। এটাই শেষ নয়, একাধিক নারী-পুরুষ অভিযোগ করে বলেন, একই স্থানে নারী-পুরুষদেরকে দেয়া হচ্ছে। এটা কোন সভ্য কাজ হতে পারে না। এত ভীর ঠেলে নারীদের পক্ষে গিয়ে টিকা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই অনেক মহিলা এবং বৃদ্ধদের দেখা গেছে টিকা না দিয়ে চলে যেতে। ইলিশার জাঙ্গালিয়া থেকে আসা মো: আবুল খায়ের তার স্ত্রীসহ আত্বীয়-স্বজনদের নিয়ে টিকা দিতে আসেন। তবে ভীর না সামলাতে পেরে চলে যান। চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া অনেকেই বলেন, তাদেরকে দাড়িয়ে থাকা অবস্থায় টিকা দিয়েই বের করে দেয়া হয়েছে। কারো আবার ছিড়ে গেছে জামা। নারী-পুরুষ একই স্থানে হওয়ায় এবং একটি গেট ব্যবহার করায় সমস্যা চরমে পৌছে। সকাল ৭টা থেকে দাড়িয়ে টিকা দিতে পারেনি এমন অভিযোগ করেন বহু টিকা প্রত্যাশি। এদিকে স্বেচ্ছায় কাজ করতে আসা রেড ক্রিসেন্ট কর্মী আরিফুর রহমান মীমকে দ্বায়িত্ব পালনরত অবস্থায় শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠে ভোলা সদর হাসপাতালের স্টাফ মো: আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে ঐ স্টাফ ১০ জনকে নিয়ে জোরপূর্বক টিকা দেয়ার স্থানে একই সাথে ঢুকতে চাইলে দ্বায়িত্বরত মীম তাকে বাঁধা দেয়। এসময় তাকে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করে। এ ঘটনায় মীম এর হাত কেটে যায়। এসব ঘটনায় চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে রেড-ক্রিসেন্টকর্মীদের মাঝে। এসব বিষয় রেড ক্রিসন্ট ভোলার যুব প্রধান আদিল হোসেন তপু বলেন, বিষয়টি ভোলার সিভিল সার্জন এবং হাসপাতালের আরএমওকে জানানো হয়েছে। তারা আশ্বাস দিয়েছেন বিষয়টি ভালো ভাবে দেখার। ভোলা সিভিল সার্জন ডা: কে এম শফিকুজ্জামান বলেন, টিকা শেষ পর্যায় যা আমাদের কাছে আছে তাতে ৩/৪দিন চলবে। তাই দ্রুত টিকা চেয়ে চিঠি দিয়েছি। টিকা দিতে সমস্যা ও বিশৃংখলার কথা স্বীকার করে বলেন, হাজার হাজার মানুষের ভীর সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যে কারনে শৃংখলা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা টিকা প্রদান ও নমুনা সংগ্রহ স্থান দুটি আলাদা করবো দ্রুত। নমুনা সংগ্রহ স্থানটি সরিয়ে অন্যত্র নেয়া হবে। আইনশৃংখলা বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT