বরগুনায় থেমে নেই এনজিওর কিস্তি আদায় বরগুনায় থেমে নেই এনজিওর কিস্তি আদায় - ajkerparibartan.com
বরগুনায় থেমে নেই এনজিওর কিস্তি আদায়

2:39 pm , August 6, 2021

 

এম সাইফুল ইসলাম, বরগুনা ॥ চলমান লকডাউন, বন্যা, লাগাতার বৃষ্টিতে প্লাবিত অধিকাংশ এলাকা। এতে অসহায় হয়ে পড়েছে নি¤œআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। তার ভিতরে আবার মরার উপর খরার ঘা এনজিওর কিস্তি আদায়। মহামারী এই করোনা ভাইরাস এর ভিতরে গণপরিবহন, শিল্প-কলকারখানা,দোকানপাট, সবকিছু বন্ধ থাকলেও বন্ধ নাই বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিওর কিস্তি আদায়। ঋন গ্রহীতাদের নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, এমনকি কিস্তি না দিলে মামলার ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে করে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ঋন গ্রহীতারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা আহসানিয়া মিশন থেকে ঋন নেওয়া একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোঃ মনির হোসেন জানান, দেশে মহামারী করোনাভাইরাসে সবকিছু বন্ধ থাকলেও বন্ধ নেই এনজিওর কিস্তি আদায়। আমরা কিস্তি দিতে না পারলে অনেক সময় এনজিওকর্মীরা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। দোকানে এসে বসে থাকে,বাড়িতে চলে যায়, প্রতিদিন কিস্তির জন্য ফোন করে। এমনকি কিস্তি না নিয়ে তারা যাবে না বলে দোকানে বসে থাকে। দোকান বন্ধ থাকলে বাড়িতে গিয়ে বসে থাকে।
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে ব্র্যাক এনজিওর একজন লোন গ্রহীতা বলেন,মোগো ইনকাম বাণিজ্য সব বন্ধ, সরকার মোগো লকডাউন দিয়া বয়াইয়া রাখছে। মোরা পারি না খাইতে হেরমধ্যে আবার এনজিও আলারা খালী কিস্তি চায়, মোরা এহন যামু কই।সরকারেরে এ কন মোগো জন্য কিছু হরতে।
আশা এনজিও থেকে লোন নিয়েছে এমন একজনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। কাজ না করলে আমাদের খাবার জোটে না।লকডাউনে সব কিছু বন্ধ শুধু বন্ধ নেই এনজিওর কিস্তি নেওয়া।কিস্তি দিতে না পারলে নানাভাবে আমাদের চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আরো অনেক ভুক্তভোগী বলেন,আমাদের সকল কাজকর্ম বন্ধ। দোকানপাট,শিল্প কলকারখানা,অফিস আদালত সহ সব কিছুই বন্ধ। আমরা খুবই কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করতেছি। এনজিওর কিস্তি দিতে গেলে আমাদের পেটে খাবার জোটেনা।তাই আমরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ বিষয়ে বরগুনা সংগ্রাম সদর শাখার ম্যানেজার বলেন,আমরা কিস্তি নিচ্ছি তবে জোর পূর্বক নিচ্ছিনা।
আহসানিয়া মিশন এনজিওর সদর শাখার ম্যানেজার মোঃরাসেল মিয়া বলেন, আমরা এমআরএ নিয়ম অনুযায়ী সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা কিস্তি নিচ্ছি তবে জোর পূর্বক নিচ্ছি না।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাক এনজিও সদর শাখার ম্যানেজারকে ফোন দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পেলে আমরা ব্যাবস্থা নিবো।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT