নৌ-বন্দরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড় নৌ-বন্দরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড় - ajkerparibartan.com
নৌ-বন্দরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড়

3:23 pm , August 1, 2021

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ লঞ্চ চলাচল শুরুর খবরে নৌ-বন্দরে কয়েক হাজার যাত্রীরা ভীর করেছে বরিশাল নৌ-বন্দরে। গতকাল রোববার রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে নৌ-বন্দর থেকে ছেড়ে গেছে তিনটি লঞ্চ। তবে যাত্রীদের জন্য ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার জন্য মোট আটটি লঞ্চ প্রস্তুত ছিল।
নৌ-বন্দর কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সন্ধ্যার দিকে বলেন, বন্দরে ৮ টি লঞ্চ প্রস্তুত রাখা ছিল। যে যাত্রী ছিল তাতে তিনটি লঞ্চ ছেড়ে যেতে পারবে। যাত্রীদের চাপ বাড়লে লঞ্চের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
লঞ্চের স্টাফরা জানিয়েছেন, যাত্রীদের মধ্যে শ্রমিকের সংখ্যা বেশী। তাই তিনটি লঞ্চের ডেক কানায় কানায় পূর্ন হয়েছে। তবে অনেক কেবিন খালি ছিল।
এদিকে, আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের সময় বাড়ানো হয়েছে। সরকারের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের অনুমতি ছিল। কিন্তু সময় এবং যাত্রী স্বল্পতার কারণে লঞ্চ মালিকরা লঞ্চ ছাড়তে রাজী হয়নি। ঢাকামুখী কারখানা শ্রমিকদের রাজধানীতে যাতায়াতের সুবিধার্থে বিআইডব্লিউটিএ আগামীকাল সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের সময় বৃদ্ধি করে। এই খবর পেয়ে হাজারো যাত্রী ভিড় করে বরিশাল নদী বন্দরে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণেও লঞ্চ ছাড়ার কোনো প্রস্তুতি না দেখে অনেক যাত্রী বিকল্প ব্যবস্থায় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছুটেছেন। বিকল্প পথে দুর্ভোগের আশঙ্কায় অনেক যাত্রী অবস্থান নিয়েছেন লঞ্চের ডেকে। তাদের অনেকের মুখে নেই মাস্ক। মানা হয়নি শারীরিক দূরত্বও। লঞ্চে জীবাণুনাশকও স্প্রে করা হয়নি। তারপরও লঞ্চে ঢাকা যাওয়ার সুযোগ পেয়ে খুশি যাত্রীরা।
বরিশাল-ঢাকা রুটের এমভি অ্যাডভেঞ্চার লঞ্চের ম্যানেজার হুমায়ুন কবির বলেন, নদী বন্দর কর্মকর্তার নির্দেশে তাদের লঞ্চটি ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। কিছু যাত্রী ডেকে তোলা হয়েছে। কেবিন বিক্রি হয়নি। রাত ৮টার পর লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT