শেবাচিমে ৬ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি শেবাচিমে ৬ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি - ajkerparibartan.com
শেবাচিমে ৬ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

3:41 pm , July 31, 2021

শিকদার মাহাবুব ॥ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হওয়া শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরা হলেন- শেবামেক হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স নাসিমা বেগমের মেয়ে তন্নী আক্তার (২৫), নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মোকসেদ আলীর ছেলে সাব্বির হোসেন (২১),স্বরুপকাঠি উপজেলার নেছারাবাদ গ্রামের মোঃ আলী (১৯), মুলাদী উপজেলার বালিয়াতলি গ্রামের আঃ রহিম হাওলাদারের ছেলে আসাদুজ্জামান (২৪),বানারীপাড়া উপজেলার ধারালিয়া গ্রামের সরদার আলীর ছেলে আব্দুল হাই(৩৭) ও রাজাপুর উপজেলার সন্দীপ মিস্তিরির ছেলে সুব্রত মিস্তিরি।
জানা গেছে, ছলতি বছরের ২০ জুলাই সর্বপ্রথম সাদিয়া আফরিন তন্নী জ্বর নিয়ে শেবামেক হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তন্নী ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত হয় ডাক্তাররা। এদিকে জানা গেছে, তন্নী ঢাকায় মিরপুরে থাকতেন। ১৭ জুলাই তন্নী মিরপুর থেকে বরিশালে আসেন। ১৭ জুলাই দিবাগত রাতেই তন্নী জ্বরে আক্রান্ত হয়। সাদিয়া আফরিন তন্নী বলেন, জ্বরে আক্রান্ত হলে শেবামেক হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জনতে পারি আমি ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছি। তবে এখন আমি ভালো আছি।
এদিকে ২২ জুলাই দপদপিয়া গ্রামের সাব্বির হোসেন, ২৪ জুলাই নেছারাবাদ গ্রামের মোঃ আলী ও ২৫ জুলাই বালিয়াতলি গ্রামের আসাদুজ্জামান ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ইতিমধ্যে তারা নিজেদের বাড়ি ফিরে গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন এখানকার ডাক্তাররা। তবে ২৮ জুলাই আব্দুল হাই ও একই দিন সুব্রত মিস্তিরি ডেঙ্গু রোগে ভর্তি হলেও তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আব্দুল হাই জানান, ‘গ্রামের বাড়িতে জ্বর হয়। শরীরে ব্যথা ও জ্বর কিছুতেই থামছিল না। পরে পরীক্ষায় ডেঙ্গু রোগ শনাক্ত হয়।’ সুব্রত মিস্তিরি পিরোজপুরের সোহরাওয়ার্দী ডিগ্রি কলেজে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ১০/১২ দিন আগে সুব্রত জ্বরে আক্রান্ত হলে ভা-ারিয়া উপজেলার এক ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়। পরে ডাক্তারের পরামর্শে সুব্রত শেবামেক হাসপাতালে ভর্তি হন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুব্রত মিস্তিরি বলেন, ‘১০/১২ দিন আগে আমি জ্বরে আক্রান্ত হলে ভান্ডারিয়া উপজেলার এক ডাক্তারের শরণাপন্ন হই। পরে ওই ডাক্তারের পরামর্শে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসি। এখন আমি সুস্থ আছি। ‘ তবে এখন পর্যন্ত নগরীর কোন বাসিন্দা ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান মিলেনি।
অন্যদিকে শেবামেক হাসপাতালের পরিচালক এইচ.এম.সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি। অনেকেই সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT