একমাস ধরে খালি রয়েছে শেবাচিমে’র ১০ হাজার লিটারের অক্সিজেন ট্যাংক একমাস ধরে খালি রয়েছে শেবাচিমে’র ১০ হাজার লিটারের অক্সিজেন ট্যাংক - ajkerparibartan.com
একমাস ধরে খালি রয়েছে শেবাচিমে’র ১০ হাজার লিটারের অক্সিজেন ট্যাংক

3:22 pm , July 28, 2021

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ১০ হাজার লিটার ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন অক্সিজেন সিলিন্ডার ট্যাংক প্রস্তুত রয়েছে। রয়েছে সরবারহকারী একাধিক প্রতিষ্ঠানও। তারপরও করোনার এই বিস্ফোরনের মধ্যে ১ মাসেরও বেশী সময় ধরে অক্সিজেন সরবরাহ হচ্ছে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, হাসপাতাল পরিচালককে অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বলে চুক্তি স্বাক্ষর করতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সার্বিক বিষয়টি সমাধানের ক্ষমতা পরিচালককে দেওয়া হয়েছে। তাদের ভাষায় অধিদপ্তরের নির্দেশনার পরও হাসপাতাল পরিচালক যদি বিষয়টির সমাধান না করতে পারে তাহলে তার ব্যর্থতা ও দায়ভার তাকেই নিতেই নিতে হবে। অধিদপ্তরের নির্দেশনা পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন হাসপাতাল পরিচালক ডাঃ এইচ এম সাইফুল ইসলাম। তার পরেও চুক্তি না করার বিষয়টি সম্পর্কে পরিচালক জানান, অধিদপ্তর যে প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করতে নির্দেশ দিয়েছে তাদের (ডিমান্ড রেট) চাহিদার অংক অনেক বেশী। এর চেয়ে অনেক কম মূল্যে অক্সিজেন সরবরাহ করার প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। তাই আমার প্রত্যাশা ছিলো অধিদপ্তরই বিষয়টির ফয়সালা করুক। জানা গেছে এক মাস আগে নতুন করে ১০ হাজার লিটারের একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ট্যাংক স্থাপন করা হয়। কিন্তু অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দর-কষাকষির জেরে এখন পর্যন্ত অক্সিজেন সরবরাহ চালু করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রতিদিন প্রায় ৩০০টি সিলিন্ডার ৭-৮ বার রিফিল করি। এক্সপেকট্রা নামক অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রিফিলের জন্য ২৫ হাজার এবং পরিবহন বাবদ ১৫ হাজার টাকা দর দিয়েছে। অপর দিকে লিনডে নামক অপর একটি প্রতিষ্ঠান রিফিলের জন্য ১৪ হাজার এবং পরিবহন বাবদ মাত্র ২ হাজার টাকা দর দিয়েছে। বিষয়টি আমি লিখিত ভাবে অধিদপ্তরকে জানিয়েছি। তারা আমাকে এক্সপেকট্রার সাথে চুক্তি করার নির্দেশনা দিয়েছে। তবে সতর্ক কথাটি উল্লেখ করেছেন। যে কারনে আমি বিষয়টি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্ধে ছিলাম। তবে অধিদপ্তর যেহেতু নির্দেশ দিয়েছে সে মোতাবেক দু এক দিনের মধ্যেই এক্সপেকট্রার সাথে চুক্তি সম্পন্ন করা হবে। আমি ইতি মধ্যেই এক্সপেকট্রার প্রতিনিধিদের আমন্ত্রন জানিয়েছি। পরিচালক আরো বলেন বর্তমানে হাসপাতালে যে অক্সিজেন সাপ্লাই রয়েছে তাতে কোন সংকট নেই। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আমি উদ্যোগ নিয়ে এই ১০ হাজার লিটার ট্যাংক স্থাপন করেছি। এখন দেখছি করোনা রোগীদের সেবার জন্য করা উদ্যোগটি আমাকে বিতর্কে ফেলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডাঃ মোঃ ফরিদ হোসেন মিয়া বলেন, পরিচালকের এত কিছু তো ভাববার দরকার নেই। তাকে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করার জন্য অধিদপ্তর থেকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সে নিয়ম মেনে চুক্তি সম্পন্ন করবে। এখানে জটিলতা বা বিলম্ব হওয়ার সুযোগ কোথায় ? এদিকে এক্সপেকট্রার প্রতিনিধি জানিয়েছেন আমরা যে দর দিয়েছি, তা বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনেক কমে আসবে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল পরিচালকের সাথে বসলেই সহজ সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার সাথে বসা হয়নি।

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT