বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে বিলীন পাঁচটি পরিবারের স্থাপনা বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে বিলীন পাঁচটি পরিবারের স্থাপনা - ajkerparibartan.com
বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে বিলীন পাঁচটি পরিবারের স্থাপনা

3:28 pm , July 26, 2021

 

এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া ॥ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনে গত এক সপ্তাহে উপজেলার নাটুয়ারপাড় গ্রামে পাঁচটি বসত বাড়িসহ একটি এলাকা বিলীন হয়ে গেছে। ওই এলাকায় এখনও বেশ কয়েকটি বড় ফাটল রয়েছে। বেশ কয়েক বছর ধরে অব্যাহত ভাঙনে সন্ধ্যা নদীর পাড়ের বসতিদের জীবন যাপন পাল্টে গেছে। নদীপাড়ের মানচিত্রে গ্রাম গুলোর নাম থাকলেও বাস্তবে তেমনটি নেই। বেপরোয়া বালু উত্তোলনের জন্য বছরের পর বছর এ ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। প্রভাবশালীদের প্রভাবে আইনের মার-প্যাচে প্রশাসনের নির্দেশে বালু উত্তোলন বন্ধ বা ভাঙন রোধে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে ভুক্তভোগীরা জানান। সন্ধ্যা নদী বানারীপাড়া উপজেলাকে দু’ভাগে বিভক্ত করেছে। এর পূর্ব পাড়ে বানারীপাড়ার প্রশাসনিক এলাকা ও পৌরসভাসহ তিনটি ইউনিয়ন এবং পশ্চিম পাড়ে পাঁচটি ইউনিয়ন অবস্থিত। নদী তীরবর্তী বাইশারী সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের বেশ ক’টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট, গাছ পালাসহ বসতবাড়ি ও ফসলি জমি সন্ধ্যায় বিলীন হয়েছে। সরেজমিন দেখা যায়, ডান্ডোয়াট ফেরিঘাট, শিয়ালকাঠী, নাটুয়ারপাড়, উত্তর কুল, নলশ্রী গ্রামের অবস্থান ছিল। নদী ভাঙ্গনে হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার এখন অমানবিক জীবন-যাপন করছে। ভাঙনের তীব্রতায় যে কোনো মুহূর্তে তাও বিলীন হয়ে যেতে পারে । গত এক সপ্তাহে ওই গ্রামের সামসুল হক সরদার, হাফেজ আব্দুর রব, শহীদুল ইসলাম, সুলতান ব্যাপারী ও কবির সরদারের গাছ পালা ও বসত ঘর-বাড়ি বিলীন হয়েছে। গত বছর বর্ষা মৌসুমে সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের দাসেরহাট এলাকায় একরাতে ১৬টি বসতবাড়ি নদীতে বিলীণ হয়েছিল। চলতি বর্ষা মৌসুমে উপজেলার নাটুয়ারপাড়, দক্ষিণ নাজিরপুর, সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের মসজিদ বাড়ি, দাসেরহাট, চাখার ইউনিয়নের কালির বাজার চাউলাকাঠি,
হক সাহেবের হাট, সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের খোদাবখশা ও খেজুরবাড়ি, সদর ইউনিয়নের ব্রাক্ষ্মণকাঠি, জম্বদ্বীপ ও কাজলাহার গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
জম্বদ্বীপবোর্ড স্কুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যে কোনো সময় নদীতে বিলীন হতে পারে।
এ ব্যপারে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. শাহে আলমের হস্তক্ষেপ কামনা করেছিল। তিনি এসময় পদক্ষেপ নিলে কিছুদিন বালু উত্তোলন বন্ধ থাকলেও আইনের মার প্যাচে প্রশাসন পুনরায় বিলু মহল ইজারা দেয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা জানান, নদীভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। তা ছাড়া ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্থদের সরকারি সাহায্য প্রদান করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT