3:28 pm , July 15, 2021
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ পন্টুন ও টার্মিনালে হকারদের হাঁকডাক, লঞ্চের হুইসেল বাজলেও যাত্রী সংকটে ভুগছে। বিধি নিষেধ শিথিলের পর গতকাল বৃহস্পতিবার লঞ্চ-বাস চলাচল শুরু হলেও যাত্রী সংখ্যা কম দেখা গেছে। যাত্রী কম থাকায় হতাশার মধ্যে রয়েছেন বাস-লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা। চাপ না থাকায় যাত্রীদের অধিকাংশরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, বরিশাল নৌ বন্দরের সকল পন্টুনে বেঁধে রাখা লঞ্চগুলোতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মচাঞ্চল্য থাকলেও অনেকটা যাত্রী শূন্য অবস্থায় দেখা গেছে। বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের লঞ্চসহ অভ্যন্তরিণ নৌপথে চলাচল করা সকল লঞ্চে যাত্রী সংখ্যা ছিলো সীমিত। ফলে অধিকাংশ যাত্রীরা মাস্ক পরিধানসহ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাচল করেছেন।
অন্যদিকে বরিশালের দুটি বাস টার্মিনাল রূপাতলী ও নথুল্লাবাদ থেকে দেশের বিভিন্ন রুটে ছেড়ে যাওয়া বাসে যাত্রী সংখ্যা ছিলো কম। যাত্রী কম থাকার সুযোগে লঞ্চের মত বাসও অনেকাংশে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাচল করেছে। বাসের যাত্রীরা প্রত্যেকে দুই আসন নিয়ে নির্দিষ্ট দূরত্বে বসে গন্তব্যে রওয়ানা হয়েছেন।
নৌযান শ্রমিক রিয়াজ বলেন, লকডাউনে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ছিলো। তাই আয়ের পথও বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। এখন লঞ্চ চলাচল শুরু হলেও যাত্রী কম থাকায় বেতন-বোনাস নিয়ে শংকায় রয়েছেন বলে জানান তিনি।
বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুমার দে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস চলাচলের জন্য টার্মিনালে মাইকিং করা হয়েছে। প্রত্যেক যাত্রীকে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত এবং বাসে ওঠার আগে স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। বর্তমানে যাত্রী সংখ্যা কম রয়েছে এই কারনেই যে আমরা স্বাস্থ্য বিধি মানছি বিষয়টা তেমন নয়। যাত্রী বাড়লেও সরকারি নির্দেশনা ব্যতয় ঘটবে না।
বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, স্বাস্থ্য বিধি মেনে লঞ্চ চলাচলের বিষয়ে মালিকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা ভঙ্গ করা হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া আমাদের ট্রাফিক ইন্সপেক্টররা স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে।
