3:22 pm , July 11, 2021
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ জলবায়ু পরিবর্তনকে অস্তিত্বের সংকট হিসেবে বিবেচনা করে উপকূলীয় জেলা ও শহরগুলোর অভিযোজন ক্ষমতা এবং সহিষ্ণুতা বাড়ানোর জন্য যথাযথ স্থানীয় পরিকল্পনা ও পর্যাপ্ত বরাদ্দের সংস্থান করা দরকার। যথাযথ অভিযোজনের উদ্যোগ নিলে মোট ক্ষতির ৬০ শতাংশ হ্রাস করা সম্ভব। গণমানুষের সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগের দাবি তুলেছেন বরিশালের তরুণ জলবায়ু কর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
রোববার বেলা ১২টায় ‘বরিশালের জলবায়ু বিপদাপন্নতা, অভিযোজন পরিকল্পনা ও উত্তরণের পথ: প্রেক্ষিত তারুণ্যের উদ্যোগ’ বিষয়ক এক মিডিয়া ডায়লগে অংশ নেওয়া বক্তারা এসব কথা বলেন।
আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ২৬ সম্মেলনকে ঘিরে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় যুব নেটওর্য়াক ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এই সংলাপের আয়োজন করে।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের কপ২৬ ইয়ুথ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বিজয়ী সোহানুর রহমানের সঞ্চালনায় সংলাপে মূল তথ্যপত্র উপস্থাপন করেন ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাম্বাসেডর সায়লা শবনম রিচি, হাফিজুল ইসলাম রুম্মন, মাহমুদুল হক মাহিম ও মুনেম শাহরিয়ার।
