3:19 pm , July 8, 2021
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ জেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাধারন রোগীদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালে পাঠানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। করোনাকালীন সময়ে শেবামেক হাসপাতালে রোগীর চাপ কমিয়ে আনার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস। ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাধারন জখমি,সর্দি,কাশিসহ অন্যান্য রোগীদের শেবামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। যে কারনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিকে শেবামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনা মহামারীর আগে দেড় থেকে দুই হাজার রোগী শুধুমাত্র এই হাসপাতালের আন্ত:বিভাগে চিকিৎসা নিতো। আর বহি:বিভাগে আরও বেশি রোগীর চাপ ছিল। সময়োপযোগী এমন পদক্ষেপ এই হাসপাতালের ডাক্তারদের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তিদায়ক। তবে নির্দেশ অমান্য করে কেউ এই হাসপাতালে আসলে তাকে অবশ্যই চিকিৎসা প্রদান করা হবে। ফেরত পাঠানো হবে না। সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারি সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাধারন জখমি,সর্দি,কাশিসহ অন্যান্য সাধারন রোগীদের শেবামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়ে থাকে। শেবামেক হাসপাতাল দক্ষিনবঙ্গের একটি উন্নতমানের হাসপাতাল। এই হাসপাতালে জটিল রোগী ভর্তিসহ বিভিন্ন ধরনের রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা হয়ে থাকে। এ ছাড়াও কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা প্রদানের ক্ষেত্রে এই হাসপাতালে চাপ রয়েছে। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাধারন জখমি,সর্দি,কাশিসহ অন্যান্য রোগীদের শেবামেক হাসপাতালে না প্রেরণ করে সংশ্লিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদানের প্রয়জোনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক, ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক, বরগুনা ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল,বরিশাল সিভিল সার্জন, ভোলা সিভিল সার্জন, পটুয়াখালী সিভিল সার্জন, ঝালকাঠী সিভিল সার্জন, বরগুনা সিভিল সার্জন, পিরোজপুর সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কাছেও ওই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডা. বাসুদেব কুমার দাস।
