২২ বছর কারাভোগের পর মায়ের কাছে ফিরল পারুল ২২ বছর কারাভোগের পর মায়ের কাছে ফিরল পারুল - ajkerparibartan.com
২২ বছর কারাভোগের পর মায়ের কাছে ফিরল পারুল

2:26 pm , July 1, 2021

১১ বছর বয়সের পারুলের বয়স এখন ৩৫

বিশেষ প্রতিবেদক ॥ পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া’র পারুল আক্তার ২২ বছর কারাভোগের পরে স্বাধীনতা দিবসের সাধারন ক্ষমায় কারামুক্তি লাভ করে মায়ের কাছে ফিরে গেছেন। তবে ১১ বছর বয়সের সে পারুলের বয়স এখন ৩৫। মাঝে তার অসহায় পিতা এ দুনিয়া থেকে চলে গেছেন মেয়েকে কারান্তরীন রেখে। ১৯৯৭ সালে বোনের মেয়ে পুকুরে পরে মৃত্যু বরন করার পরে মঠবাড়ীয়া থানা পুলিশ ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী পারুলকে একমাত্র আসামী করে মামলা দায়ের করে। ১৯৯৮ সালে ঐ মামলায় শিশু পারুলের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেয় পিরোজপুরের আদালত। অতি সম্প্রতি তাকে বরিশাল কারাগারে স্থানান্তরের পরে বিষয়টি সমাজ সেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন অফিসার সাজ্জাদ পারভেজের নজরে আসে। সে বিষয়টি জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দারকে অবহিত করলে তিনি পারুলকে স্বাধীনতা দিবসের সাধারন ক্ষমায় মুক্তি দেয়ার প্রস্তাব পেশ করেন। স্বরষ্ট্র মন্ত্রনালয় পারুল বেগমের সাজার মেয়াদ কমিয়ে তাকে মুক্তি দেয়ার আদেশ দিলে সম্প্রতি সে কারামূক্ত হয়ে বাড়ীতে মায়ের কাছে ফিরে গেছে। বরিশালের জেলা প্রশাসক সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সহায়তায় পারুলের জীবিকা নিবার্হের জন্য একটি সেলাই মেশিন উপহার দিয়ে বাড়ীতে পৌছে দিয়েছে। পাশাপাশি তাকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের একটি ঘর দেয়ার বিষয়টিও পিরোজপুরের জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পারুল কারাবন্দী থাকাবস্থাই তার অসহায় পিতা মৃত্যুবরন করেছেন। অর্র্থের অভাবে নি¤œ আদালতে পারুলের কারাদন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার সামর্থ তার ছিল না। তবে ১৯৯৭ সালে ৫ম শ্রেণীতে পড়াবস্থায় পারুলকে একটি ফৌজদারী মামলায় আসামী করা হলেও তখন তার বয়স কত ছিল তা বিবেচনায় নেয়া হয়নি বলেও পারুল এবং তার পরিবার সহ প্রতিবেশীদের অভিযোগ রয়েছে। পুরো বিষয়টি পুনরায় তদন্ত করারও দাবী উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT