শেবাচিম হাসপাতালের নার্সদের সিলেকশন গ্রেডের লক্ষাধিক টাকা চাঁদাবাজি শেবাচিম হাসপাতালের নার্সদের সিলেকশন গ্রেডের লক্ষাধিক টাকা চাঁদাবাজি - ajkerparibartan.com
শেবাচিম হাসপাতালের নার্সদের সিলেকশন গ্রেডের লক্ষাধিক টাকা চাঁদাবাজি

3:05 pm , June 23, 2021

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়য়(শেবাচিম) হাসপাতালে কর্তব্যরত নার্সদের সিলেকশন গ্রেডের কাগজপত্র ঠিক করে দেয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের (স্বানাপ) হাসপাতাল শাখার সাধারন সম্পাদক  শাহিনা আক্তার এ চাঁদাবাজি করেছে। এমনটাই অভিযোগ করেছেন হাসপাতালের একাধিক নার্স। তবে বাংলাদেশ নার্সিং মিডওয়াইফারি অধিদপপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ নাছির হোসেন বলেন, “যদি সিলেকশন গ্রেডের নামে কেউ চাঁদাবাজি করে সেক্ষেত্রে অবশ্যই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নার্স জানান, সরকার নার্সদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ মর্যাদা প্রদান করেছেন। সিলেকশন গ্রেডের জন্য ১৯৯৯ সালে যোগদানকৃত নার্সদের কাছ  থেকে জোরপূর্বক এসব টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। আর টাকা না দিলে এখানকার নার্সরা নানাবিধ সমস্যায় পড়বে বলেও হুমকি দেয় সম্পাদক  শাহিনা। যে কারনে শাহিনা আক্তারের ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না। অভিযোগ রয়েছে হসপাতালের প্রত্যেক সিনিয়র স্টাফ নার্সের কাছ থেকে ২ হাজার ৫০০ করে টাকা আদায় করা হয়েছে। নার্সদের কাছ থেকে আদায় করা দেড় লক্ষ টাকা উত্তলোন করে শাহিনা নিজে খরচ করেছেন। এ ছাড়াও সংগঠনের নামে শাহিনা প্রতি মাসে নার্সদের কাছ থেকে ২০ টাকা করে চাঁদা উত্তলোন করে। ৯২৭ জন নার্সের কাছ থেকে মাসে ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা উত্তলোন করে। বছর পেরিয়ে ২ লক্ষ ২২ হাজার ৪ শ ৮০ টাকা চাঁদাবাজি করা হয়। সংগঠনের সম্পাদক  শাহিনা এসব টাকার হিসেব দিতেও নারাজ। শুধু সংগঠনের সদস্যরা নয়, অন্য নার্সদের কাছ থেকেও বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি করছে শাহিনা। হাসপাতালের নার্সরা জানায় উত্তলোনের এসব টাকা নিজের প্রয়োজনে খরচ করছে শাহিনা। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে স্বানাপ শেবাচিম শাখার সাধারন সম্পাদক শাহিনা আক্তার বলেন, ‘সিলেকশন গ্রেডের নামে আমি কোন টাকা উত্তোলন করিনি। এর বেশি কোন কথা বলেননি শাহিনা আক্তার।’ এদিকে স্বানাপ শেবাচিম শাখার সভাপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার(প্রতিবেদকের) কাছ থেকে এই প্রথম শুনলাম।’
এদিকে বাংলাদেশ নার্সিং মিডওয়াইফারি অধিদপপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ নাছির হোসেন জানান, “ আমি এখন করোনা আক্রান্ত। সুস্থ্য হয়ে অধিদপ্তরে গিয়ে এ বিষয়ে ভালভাবে খোঁজ নিয়ে দেখবো। আর যদি সিলেকশন গ্রেডের নামে কেউ চাঁদাবাজি করে সেক্ষেত্রে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT