দৌলতখানে ৪২ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা দৌলতখানে ৪২ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা - ajkerparibartan.com
দৌলতখানে ৪২ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা

3:26 pm , June 8, 2021

দৌলতখান প্রতিবেদক ॥ ভোলার দৌলতখানের ৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ জন শিক্ষার্থীর ২০২০ সালের (জুলাই-ডিসেম্বর) ৬ মাসের উপবৃত্তির ৩৭ হাজার ৮০০ টাকা প্রতারনার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা চুড়ান্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে এ জালিয়াতির প্রমান মিলেছে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মার্কেটে পরিচালিত ইন্টারনেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অর্না নেটের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক উপজেলাধীন হাজিপুর এসএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন মিঠু। ওই প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার অপারেটর মো: ছাব্বির হোসেন নিজের ও তার মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও মোবাইল নাম্বার সুবিধা ভোগী শিক্ষার্থীদের নামের বিপরীতে বসিয়ে দিয়ে নিজেদের মোবাইলে টাকা পেতে এ জালিয়াতি করেছেন। আর এ কাজটি সম্পাদন করেছেন ওই ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা এন্ট্রি করার সময়। বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম রাম রতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুকদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিদারুল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর পদ্মা রেজি: প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বামনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ২০২১ সালের উপবৃত্তির কাজ করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে। এসব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ জানান, ২০২১ সালের উপবৃত্তির তালিকা ইন্টারনেট থেকে বের করতে গিয়ে ২০২০ সালের তালিকাও সাথে চলে আসে। দুই সালের তালিকা যাচাই করতে গিয়ে এ জালিয়াতির চিত্র চোখের সামনে চলে আসে। জালিয়াতির শিকার বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের অভিযোগ, অর্না নেটের মালিক শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন ছাড়া বিদ্যালয়গুলোর পাসওয়ার্ড, ইএমআইএস কোড অন্য কারও জানা থাকার কথা নয়। ৪২ জন শিক্ষার্থীর নামের সাথে ছাব্বির ও তার মা ছায়েরা খাতুনের মোবাইল নাম্বার যথাক্রমে- ০১৫৮০৭২৩১০৯, ০১৬০৯৫৪৭৪১৬ এবং তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যুক্ত হলো কিভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে ছাব্বির বলেন, আমাকে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু স্যার মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছেন। আমাকে ফাঁসাতে তিনিই এ কাজ করেছেন।এ অভিযোগ অস্বীকার করে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু বলেন, ছাব্বির অন্যত্র কাজ করবে বলে স্বেচ্ছায় আমার প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিয়েছে। সে’ই এ কাজ করেছে। তাকে মারধরের অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। এমন পরিস্থিতিতে উল্লেখিত ৪২ জন কোমল মতি শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকরা। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: হোসেন বলেন, ঘটনা সম্পর্কে শিক্ষকরা আমাকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি সংশোধনের চেষ্টা চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT