বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে মারাত্মক সংকটে শেবাচিম ও সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে মারাত্মক সংকটে শেবাচিম ও সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ - ajkerparibartan.com
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে মারাত্মক সংকটে শেবাচিম ও সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

3:27 pm , April 17, 2021

বিশেষ প্রতিবেদক ॥ প্রতিদিনকার চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিপাকে পড়েছে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল ও জেনারেল (সদর) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সিটি করপোরেশন এ দুটি হাসপাতালের বর্জ্য অপসারন বন্ধ করে দেয়ায় সর্বত্রই দূর্গন্ধ আর ময়ল আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে।
কোভিড রোগী ব্যতীত কাগজে কলমে হাজার বেডের শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গত দেড় বছর ধরে বিপাকে রয়েছে হাসপাতালের প্রতিদিনকার গড়ে তিন থেকে চার টন বর্জ্য নিয়ে। আর তার কারন দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহত এই চিকিৎসা সেব প্রতিষ্ঠানটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোন জনবল, যন্ত্রপাতি বা সুষ্ঠু কোন ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠাকাল থেকে অধুনালুপ্ত বরিশাল পৌরসভা এবং পরে সিটি কর্পোরেশন তাদের পরিচ্ছন্নতা কর্র্মীদের দিয়ে হাসপাতালের বর্জ্য অপসারন করতো। কিন্তু গত বছর করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া শুরু হলে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বর্জ্য অপসারন বন্ধ করে দেয়। ফলে জমতে থাকে বর্জ্যরে স্তুপ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সিটি কর্পোরেশনের নজরে নিলেও সমস্যার কোন সমাধান হয়নি। বাধ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজস্ব চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বা দিনভিত্তিক কর্মচারীদের দ্বারা হাসপাতালের বিভিন্নস্থানে বর্জ্য স্তুপকৃত করে রাখছে।
তবে এ ব্যবস্থায় পুরো হাসপাতালটি যুড়েই ময়লার ভাগার আর দুর্গন্ধ। তবে এখন আর কাউকে রুমাল দিয়ে নাক ঢাকতে হয়না। কারন সকলের মুখেই রয়েছে মাস্ক। এদিকে আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে জমে থাকা বর্জ্য অপসারন করা না হলে হাসপাতাল ও কলেজ এলাকার সর্বত্রই ময়লা পানিতে সয়লাব হয়ে যাবে বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষ।
বিসিসি’র পরিচ্ছন্নতা বিভাগের উদাসীনতায় দীর্ঘদিন যাবত হাসপাতাল কতৃপক্ষ বর্জ্য নিয়ে বিপাকে থাকলেও জেনারেল হাসপাতালের কোন সমস্যা ছিল না। কারন এই হাসপাতালে করোনা রোগীর কোন চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়না। কিন্তু সেখানেও সাম্প্রতিককালে বর্জ্য অপসারন নিয়েও সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। নগরীর এ হাসপাতালটিতে বয়স্ক ডায়রিয়া রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়ায় এখানে ডায়রিয়া রোগীদের বর্জ্য জমছে। এই হাসপাতালের অন্যান্য রোগীদের পাশাপাশি ডায়রিয়া রোগীদের বর্জ্যও জমছে বিধায় বিসিসি’র পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা তা অপসারন করতে চাচ্ছে না। উল্লেখ্য, বিসিসি’র বর্জ্য একস্থান থেকে অন্যত্র নেবার জন্য প্রয়োজনীয় যান্ত্রিক যানবাহন থাকলেও বর্জ্য সংগ্রহের জন্য কোন যান্ত্রিক ব্যবস্থা না থাকায় তা পরিচ্ছন্নতা কর্মীদেরকে হাতেই সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT