ভাল নেই আমাদের পরিবেশ প্রতিবেশ ভাল নেই আমাদের পরিবেশ প্রতিবেশ - ajkerparibartan.com
ভাল নেই আমাদের পরিবেশ প্রতিবেশ

3:14 pm , April 4, 2021

স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে এসেও আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতির তুলনায় পরিবেশের অগ্রগতি হতাশাজনক। প্রতি বছর আমরা ঘটা করে নদী দিবস, পানি দিবস, বন দিবস, ধরিত্রি দিবস, বিশ্ব আবহাওয়া দিবসসহ এমন অনেক দিবস পালন করে চলেছি। আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠনের সাথে মিল রেখে দেশীয় সংগঠন গড়ে উঠছে, আমরা মানববন্ধন করছি, সভা, সিম্পোজিয়াম, সেমিনার করে বক্তৃতা দিয়ে বেড়াচ্ছি। কাগজ জুড়ে বিজ্ঞাপন, বানী ছাপানো হচ্ছে। ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, টিভি, পত্রিকায় মুখ দেখা যাচ্ছে। পত্রিকাগুলো গুরুত্ব দিয়ে পরিবেশ, জলবায়ু বিষয়ে লেখালেখি করছে। এ সংক্রান্ত সরকারি দপ্তরের সংখ্যাও কম নয়, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়, নদী রক্ষায় আছে নদী রক্ষা কমিশন। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের “জিরো টলারেন্স” নীতি থাকলেও মাঠ পর্যায়ে কাজ হচ্ছে প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। দখল হচ্ছে নদী, খাল, জলাভূমি এবং দূষণ হচ্ছে পানি, বায়ু। বন কেটে উজাড় করা হচ্ছে, দখল হচ্ছে বনের ভূমি। বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত হারে বন হারাচ্ছি আমরা।উজাড় হচ্ছে বনভূমি।পরিবেশ হয়ে পড়ছে ভারসাম্যহীন। হারাচ্ছে অক্সিজেন,বাড়ছে কার্বন ডাই অক্সাইড। তাপদাহ বাড়ছে।আগামবন্যা,খরা,আইলা,সিডরের মত ঝড় ঘন ঘন আঘাত হানছে। দুর্মুখেরা বলেন,বনের রক্ষকই এখন ভক্ষক,উপাধি হয়েছে বনখেকো।দায়িত্বহীনতা,দুর্নীতির কারনে বেহাত হওয়া বনভূমি উদ্ধার,পুনর্বাসনে তাদের আগ্রহ কম। পশু,পাখি তার বাসস্থান হারাচ্ছে,হারাচ্ছে প্রজনন ক্ষমতা।ধ্বংস হচ্ছে জীব বৈচিত্র?্য। কথিত শৌখিন মানব পরিযায়ী পাখির গোশতে ভোজ করছেন। কেউ বিপন্ন প্রাণী পাচারে নিয়োজিত।গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের প্রানী মারা যাছে। ওরা হারিয়ে যাচ্ছে,না হয় দুষ্প্রাপ্য তালিকায় নাম উঠাচ্ছে। ঠুনকো অজুহাতে গাছ কেটে পাখির বাসস্থান ধ্বংস করছি।ফাঁদ,বিষটোপ দিয়ে প্রানী,পাখি এমনকি নদীর মাছ শিকার করছি।বনের গাছ চোরদের নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না।এক কথায় প্রতিনিয়ত ধ্বংস হচ্ছে প্রকৃতি, পরিবেশ,প্রতিবেশ।বন রক্ষায় কেউ কেউ ৫/১০ বছরের জন্য কাঠের আসবাবপত্র তৈরী,বিপণন বন্ধের দাবি করছেন। পাহাড়,টিলা কেটে হচ্ছে জুম,হচ্ছে রিসোর্ট,পাঁচতারা হোটেল। আইন আছে তাও কেউ মানছে না।এইসব সবখেকোরা লাগামহীন পাগলাঘোড়ার ন্যায় অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছে।উচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।যারা সরকারি সম্পত্তির জিম্মাদার তাঁদের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। তাঁদের উপনিবেশিক,সামন্তবাদী,স্বার্থপর মনোভাব পরিত্যাগ করা সম্ভব না হলে,দায়িত্ব পালনে ব্যার্থতার কারনে সরকারের কঠোর মনোভাব পোষনের বিকল্প নাই। শক্তিধরগন কিছুই মানছেন না।যদিও ইদানীং কিছু বন, ভূমি,নদী-খাল দখলমুক্ত হচ্ছে তবে তা হারানোর তুলনায় খুবই কম। নদী, পুকুর, খাল জলাশয়, দখল করে গড়ে উঠছে ভবন,ইমারত। কিন্তু কি করছি আমরা,একবার ও কি ভেবে দেখছি? আইলা-সিডর বিধ্বস্ত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকার মানুষগুলোর দুর্দশার কথা,বেঁচে থাকার জন্য প্রানান্ত প্রচেষ্টার কথা,একটু মিঠা পানির জন্য কত কষ্টই না করতে হয় মহিলা ও শিশুদের। পৃথিবীর পানির অধিকাংশ কিন্তু মিঠা পানি নয়, নোনা জল? জেনে রাখা দরকার, পুরো পৃথিবীর সমগ্র পানির মাত্র আড়াই শতাংশ মিঠা পানি; সেই মিঠা পানির দুই-তৃতীয়াংশ আবার বরফ হয়ে জমে আছে সুমেরু,কুমেরু আর বিশ্বের নানা হিমবাহে?যেটুকু তরল মিঠা পানি বাকি থাকে, তাই দিয়ে মানুষের পান থেকে শুরু করে রান্নাবান্না, ক্ষেতে সেচ দেওয়া থেকে শুরু করে গৃহপালিত পশুদের তৃষ্ণা মেটানো, সমস্ত কাজ চালাতে হয়? অথচ সেই পানির যথেচ্ছ ব্যবহার হচ্ছে। পানি লবণাক্ততার জন্য বাড়ছে চর্মরোগ,পেটের পীড়া, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, প্রজনন জটিলতা, বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিশুর সংখ্যা, বাড়ছে রাষ্ট্রের দায়। উত্তরাঞ্চলে শোনা যাচ্ছে মরুময়তার পদধ্বনি। সুপেয় পানির ব্যবহার, প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী শহরের তুলনায় কম সুবিধা ভোগ করছে। উপকূলীয় মানুষগুলি কেমন আছে,কোথায় যাচ্ছে এক সময়ের সুজলা,সুফলা, শস্য-শ্যামলা সোনার বাংলা।নদীমাতৃক বাংলাদেশের অনেক নদী হারিয়ে গেছে,ক্ষীন প্রবাহমান নদীর সঠিক সংখ্যাও আমরা জানিনা।নদীখেকোর সংখ্যা কোন ভাবে প্রকাশ হলেও তাদের নাম ঠিকানা সরকারি দপ্তরে ফিতা বন্দি।সাধারন্যে প্রকাশ হয় না। নদী দখল করে গড়ে উঠেছে অট্টালিকা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,হাট বাজার। নদী তার গতিপথ হারাচ্ছে,ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে জনপদ। সর্বস্ব হারিয়ে উদ্বাস্তু হচ্ছে “নদী ভাংগুলী” জনগোষ্ঠী। শিল্প বর্জ্য, সুয়ারেজ বর্জ্য, দূষিত বর্জ্য ফেলে নদীর জীবন করা হয়েছে মরণাপন্ন । নদী নিঃশ্বাস নিতে পারছে না।মাছসহ জলজ প্রাণী মরে যাচ্ছে।নষ্ট হয়েছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য।অথচ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এর গুরুত্ব অপরিসীম। অগুনতি খাল,পুকুর, জলাশয় ভরাট হয়েছে, হচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা, মানুষের জীবন হয়ে উঠছে দুর্বিষহ। হচ্ছে মশার বংশ বিস্তার।এক সময় খালগুলির স্বচ্ছ পানিতে নৌকা চলত,পন্য আনা-নেওয়া চলত, মানুষের প্রাত্যহিক পানির প্রয়োজন মিটত। সে সব এখন ইতিহাস। গ্রীষ্মের শুরুতেই দেশের একাধিক অঞ্চলে সুপেয় পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে।তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। মার্চ মাসেই ৩৯ ডি:সে:পেরিয়ে গেছে। নদী,জলাশয় শুকিয়ে যাওয়া, বনভুমি কমে যাওয়া এর অন্যতম কারন। গাছপালা কমে যাওয়ায় বৃষ্টিপাত কমে দাবদাহ বাড়ছে। ৩০ বছর পরে এই দেশটির পরিবেশের কি হবে?আমরা কি বুঝতে পারছি না? উন্নত দেশগুলোর অতিরিক্ত কার্বন নি:সরনের জন্য উষ্ণায়ন বাড়ছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের দেশকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় নিয়ে এসেছে,আমরাই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্র। অনেকে মনে করেন করোনা অতিমারীর সাথে বৈশ্বিক জলবায়ু ও পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্পর্ক আছে। আগামি ৩০ বছরে আমাদের নি¤œ উপকূল ডুবে যাবে এমন গবেষনা আছে। এমনিতেই আমাদের ভূমির পরিমান কম, জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশী।অবশিষ্ট জনগন কি দেশান্তরি হবে নাকি মাতৃভূমি ছেড়ে বেগমপাড়া যাবে,না জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে দেশে দেশে আশ্রয় খুঁজবে? এমন হাজারো প্রশ্ন মাথায় ঘুরছে, কিন্তু “দিচ্ছে নাতো কেউ জবাব তার।” ৯০ দশক থেকে আমরা ভূগর্ভের পানির উপর অতি নির্ভর, অতি ব্যবহার করছি। ভূগর্ভস্থ পানির টেবিল ক্রমশ নি¤œগামী।কম গভীরতার টিউবওয়েল পানি পাচ্ছে না। পেলেও দেশের দক্ষিনাংশের টিউবওয়েল পানি লবনাক্ত। ফসল ক্ষেতে সেচের জন্যও মাটির নীচের পানি,শিল্প কলকারখানায় ব্যবহার হয় বেসুমার পানি। আমাদের খাওয়া, দৈনন্দিন ব্যবহারের সবই এই পানি। অতি ব্যবহার ভূমি ধ্বসের কারন হতে পারে। ধেয়ে আসছে লবনাক্ততা আর আর্সেনিক, স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। কমে আসছে ফসলী জমি।ধ্বংস হচ্ছে জীব বৈচিত্র?্য। পিরোজপুরের বলেশ্বর পর্যন্ত পানিতে লবনাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন দিন আসবে কীর্তনখোলার পানিতেও লবনাক্ততার মাত্রা বেশী হবে আর সেদিন খুব বেশি দূরে নয়। এবং সেটা হবে জলবায়ু ও পরিবেশ বিপর্যয়ের অশনি সংকেত।
কীর্তনখোলার পানির মান পরীক্ষা করে এর পানির দূষন এবং লবনাক্ততার মাত্রা জানা দরকার। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কারন কীর্তনখোলার সাথে এই জনপদের অনেকের জীবনজীবিকা, মৎস্য, উদ্ভিদ ও প্রানিকূলের ভাগ্য জড়িত। নদীর উৎস মুখ থেকে আসা প্রবাহ কম। স্রোতের অভাবে নদীতে পলি জমছে, নাব্যতাসংকট বাড়ছে। এর উপর জেঁকে বসেছে পলিথিন আর প্লাস্টিক বর্জ্য। নদীর তলদেশ উঁচু হচ্ছে। এর সাথে আছে নগরীর মধ্যে শিল্প কারখানার বিরুদ্ধে অভিযোগ। ইটিপি ব্যবহার না করে রাসায়নিক মিশ্রন যুক্ত তরল নদীতেই ফেলা হচ্ছে। নদী দূষণ হচ্ছে, ধংস হচ্ছে প্রকৃতি, হুমকীতে জীববৈচিত্র?্য। নদীতে বড় বড় লঞ্চ নামছে। হয় তাকে ঘুর পথে আসতে হচ্ছে,তেল পুড়িয়ে সময় ক্ষেপন করে। নয়তো ধীরে-সাবধানে চলতে হচ্ছে। সুয়ারেজ সংযোগ এবং লঞ্চ ও অন্যন্য নৌ যানে ভ্রমনরত মানুষের তরল ও বর্জ্য নদী, খাল, পুকুরে সংযোগ/ নিক্ষেপ বিষয়ে কারো কোন ভাবনা আছে বলে জানিনা । এসব বিষয়ে কখনো কোন গবেষনার কথাও শোনা যায় না। সাধারন বর্জ্য, ধাতব, প্লাস্টিক, হাসপাতাল বর্জ্য, ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য, ব্যবস্থাপনায় আমরা পিছিয়ে। ইদানীংকালের “কোভিড ওয়েস্ট” করোনার অভিশাপ, কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহৃত মাস্ক, গ্লোভস সামগ্রী সমুদ্রে ভাসছে। পারমাণবিক বর্জ্যশোধনাগার আমাদের কাছে অভাবনীয়। এই সব বর্জ্য খাল, নদী পেরিয়ে সাগর -মহাসাগর কে দুষিত করছে। প্রকৃতির উপর এর প্রভাব মারাত্মক বললেও কম বলা হয়। মাছসহ জলজ প্রানী, জলজ উদ্ভিদ ধ্বংস হচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে জীব বৈচিত্র?্য । সমুদ্র হচ্ছে উত্তপ্ত, বরফ গলছে, সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ছে, লবনাক্ততা ছড়িয়ে পড়ছে নদীতে, উন্মুক্ত হচ্ছে ভাইরাস, বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুকি। ঝড়ঝঞ্জা বাড়ছে। অসময়ের প্লাবনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মানুষ, জমি হচ্ছে লবনাক্ত। বাড়ছে দূষন জনিত ব্যাধি। শব্দদূষন বা বায়ুদূষণ ক্ষেত্রেও আমরা শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখছি। বরিশাল বিভাগে ২৩৬ টি অবৈধ ইটভাটা আর যানবাহনের কালোধোয়ায় শিরঃপীড়াসহ শ্বাসতন্ত্রের রোগ জেঁকে বসছে।ইট ভাটার জ্বালানি কাঠ, টায়ার, রাবার পোড়া ধোঁয়া ফসলি জমি, গাছকে করেছে অনুৎপাদনশীল,পরিবেশকে করেছে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন। সাউন্ডবক্স আর মাইকের শব্দ, সাইলেন্সার পাইপবিহীন মোটরসাইকেল কখনো শব্দের অসহনীয় মাত্রাও অতিক্রম করে। বাড়ছে বধিরতা। তাহলে উপায় কি? আমরা কি বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারব না, ভিটে মাটি পানিতে তলিয়ে যাবে,আমাদের প্রজন্ম হবে জলবায়ু উদ্বাস্তু! আমাদের সামনে থেকে কি সবুজ উধাও হয়ে যাবে? নাকি দেশ বিদেশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পারব, এ এক কঠিন প্রশ্ন। আমাদের সর্বগ্রাসী মনোভাব পরিবর্তন এবং সকল বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই মহাবিপদ সংকেত ছড়িয়ে দিতে হবে, জাগাতে হবে দেশপ্রেম। সময়ের প্রয়োজনে নগরায়ন, শিল্পায়ন হবেই, তবে সেটা হতে হবে পরিকল্পিত,পরিবেশবান্ধব। সাতপাঁচ ভেবেই তবে নির্মোহ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ৫৭টি আন্তজার্তিক নদীর পানি বণ্টন এবং ন্যায্য হিস্যার জন্য অপেক্ষা করার সময় আমাদের নাই। কিন্তু এর থেকে পরিত্রানের পথ বা আলোর মুখ আমাদের সামনে মরিচিকা হয়ে ঘুরছে। যে দেশের সরকার প্রধান জলবায়ু বিপর্যয়রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় আন্তরিক, নিজস্ব জলবায়ু ট্রাস্ট গঠন করেছেন সেই দেশকে স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তীতে এসেও এই সব দুর্যোগ নিরসনে গলদঘর্ম হতে হচ্ছে। রাজনৈতিক সিদ্বান্তের পাশাপাশি সকল সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় এবং পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে পরিবেশ বাঁচাতে একযোগে কাজ করতে হবে। যেতে হবে বহুদুর। দেশ ও জাতির কল্যানে সবার আন্তরিক অংশগ্রহণ,ভূমিকা অপরিহার্য। আমার মত সাধারন নাগরিকের পক্ষে করনীয় জানা সহজ নয়। গবেষক, বিশেষজ্ঞ, রাজনীতিবিদ,পরিবেশবিদ, পেশাজীবী, দেশপ্রেমিক নাগরিক এখান থেকে বেড়িয়ে আসার পথ খুঁজবেন। যত দ্রুত ততই কল্যানকর।
কাজী মিজানুর রহমান (ফিরোজ)
পরিবেশ কর্মী।

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT