ইলিশের অভায়শ্রমে নিধন করা ১২০ মন মাছ উদ্ধার ইলিশের অভায়শ্রমে নিধন করা ১২০ মন মাছ উদ্ধার - ajkerparibartan.com
ইলিশের অভায়শ্রমে নিধন করা ১২০ মন মাছ উদ্ধার

3:26 pm , March 19, 2021

বিশেষ প্রতিবেদক ॥ হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের আলীগঞ্জ লঞ্চঘাটে অভিযান চালিয়ে জাটকা সহ ১২০ মন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আটক করেছে প্রশাসন। এ সময় ৩ জনকে আটক করা হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেশের ৬ষ্ঠ অভয়াশ্রমে মাছ শিকারের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে মেহেদিগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহি ‘এমভি ইয়াদ-৩’ লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ওই মাছ উদ্ধার করা হয়। জনগণের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে ‘এমভি তাসরিফ’ নামের আরও একটি লঞ্চে বিপুল পরিমান মাছ থাকলেও রহস্যজনক কারনে সেটি ছেড়ে দেয়া হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্দেশে জব্দকৃত মাছ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরন করার পাশাপাশি আটক ৩ জনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বকুল চন্দ্র কবিরাজ স্বীকার করেছেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম এলাকায় (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা সংলগ্ন মেঘনায়) নিধন করা প্রায় ১২০ মন মাছ লঞ্চে পাচার করা হচ্ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই মাছ জব্দ ও ৩ জনকে আটক করা হয়। জাটকা বহনকারী অপর একটি লঞ্চ ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে ইউএনও কিছু জানেন না বলে দাবী করেছেন। হিজলা মৎস্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আ: হালিমের নেতৃত্বে কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ধুলখোলা ইউনিয়নের আলীগঞ্জ লঞ্চঘাটে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় এমভি ইয়াদ-৩ লঞ্চ থেকে ১৫ ঝুড়ি ও ২০ ব্যারেল জাটকা সহ নানা ধরনের মাছ জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, অপর একটি লঞ্চ ‘এমভি তাসরিফ’ এ মাছ থাকলেও উলানিয়া এলাকায় প্রশাসন লঞ্চটিকে ছেড়ে দিয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT