জগদীস স্বারস্বত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষকের কোটি টাকা আতœসাত জগদীস স্বারস্বত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষকের কোটি টাকা আতœসাত - ajkerparibartan.com
জগদীস স্বারস্বত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষকের কোটি টাকা আতœসাত

3:35 pm , January 2, 2021

 

হেলাল উদ্দিন ॥ নগরীর জগদীস স্বারস্বত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাতের প্রমান পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অডিট ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ১২ দুর্নীতির প্রমান পেয়েছে। অডিট ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন সুত্রে জানা গেছে প্রধান শিক্ষক শাহ আলম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা আতœসাত করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অডিট ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর থেকে দেয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। যার অনুলিপি বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানের কাছে দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গত বছরের ১ ও ২ অক্টোবর প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতসহ নানা অভিযোগের তদন্তে আসেন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অডিট ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম। গত ২৭ অক্টোবর প্রতিবেদন অধিদপ্তরে জমা দেন তিনি। গত ২৮ অক্টোবর দাখিলকৃত প্রতিবেদন প্রকাশ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিণœ দপ্তরে প্রেরন করেন অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর অলিউল্লাহ মোঃ আজমতগীর।
প্রতিবেদনে ১২ অভিযোগের বিষয়ে প্রমানসহ তুলে ধরেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে বিদ্যালয়ের উন্নয়নের নামে সাড়ে ৬২ লাখ টাকা উত্তোলন ও খরচ করেছেন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম। যে খরচের কোন ভাউচার রাখেননি তিনি। এছাড়া বিদ্যালয়ের প্রায় ১৩ লাখ টাকা নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখেন। এছাড়াও ছাত্রীদের উপবৃত্তির ১ লাখ টাকা, খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা, পাঠ্য সূচীতে গাইড বই অর্ন্তভুক্ত করে প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান থেকেসহ বিভিন্ন খাত থেকে বিভিন্ন ভাবে প্রায় কোটি টাকা আতœসাত করেছেন তিনি। এসব অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে সুপারিশ করেছেন অধিদপ্তরের পরিচালক।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অডিট প্রতিবেদন পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি একাধিক বার শোকজ নোটিশ দেন। কিন্তুতার কোন জবাব দেননি প্রধান শিক্ষক শাহে আলম। নিজেকে রক্ষার জন্য করোনা আক্রান্ত হওয়ার শংকার কথা জানিয়ে সভাপতির কাছে ছুটির আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দু মাসের ছুটি মঞ্জুর করা হয়। গতকাল শনিবার থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে সিনিয়র শিক্ষক বিজয় কৃষ্ণ ঘোষকে দায়িত্ব দেন সভাপতি।
এ বিষয়ে সভাপতি রাবেয়া খাতুন বলেন মন্ত্রনালয়ের অডিট রিপোর্ট তার কাছে সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এসে পৌছেছে। প্রতিবেদন পেয়ে তাকে দুইবার শো কজ করা হয়। সেখানে কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু তিনি কোন জবাব দেন নি। পরে তিনি অসুস্থতার কারন দেখিয়ে ছুটির আবেদন করলে দুই মাসের ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছে। যে কারনে ভর্তির সময়ে প্রয়োজনীয়তার তাগিদে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT