ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যস্ত ভোলার সবজি চাষীরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যস্ত ভোলার সবজি চাষীরা - ajkerparibartan.com
ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যস্ত ভোলার সবজি চাষীরা

2:57 pm , November 30, 2020

 

মো. আফজাল হোসেন, ভোলা ॥ ভোলায় ফুলকপি,বাঁধাকপি ও টমেটোসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে কৃষকরা। তবে কৃষি অফিস এবং উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অসযোগীতার অভিযোগ। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। জোয়ার ও বৃস্টির পানির ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ব্যস্ত মাঠের এ সব কৃষকরা। কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, এ বছর প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সবজি চাষ হয়ে থাকে দ্বীপ জেলা ভোলার সর্বদক্ষিনের সাগর মোহনার উপজেলা চরফ্যাশনে। এখন পর্যন্ত চাষ হয়েছে প্রায় ৫হাজার হেক্টর জমিতে। মাঠে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের না পাওয়া, মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে কৃষকদের ঠকানোসহ নানান অভিযোগ সবজি চাষীদের। তবে শীতের শুরুতেই ব্যস্ত সময় মাঠে পার করছেন ভোলার সবজি চাষীরা। অতি জোয়ার ও বৃস্টির পানিতে ফসলের বেশ ক্ষতি হয়েছে। ফলে এসব ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার চিন্তা মাথায় নিয়েই সবজি চাষ করছেন ভোলার এসব সবজি চার্ষীরা। বৃস্টিতে ক্ষতি না হলে এখন বাজারে ভোলার স্থানীয় খেতের সবজি দেখা যেত বলে জানালেন সবজি চাষীরা। তবে পানিতে সব নস্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন করে ক্ষেত ও সবজি চাষ করায় দেরিতে ফল ধরেছে গাছে। টমেটো ধরতে শুরু করেছে। পুরো ফসল পেতে সময় লাগবে এখনো ২০/২২দিন সময় লাগবে বলে জানালেন ভোলা সদর উপজেলা শিপপুর ইউনিয়নের দক্ষিন রতনপুর গ্রামের মো: সাহাবুদ্দিন। চরম ক্ষোভ করে বলেন, কৃষি অধিদপ্তরের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো: হারুন তাকে এক একর জমিতে সবজি চাষ করিয়ে পরবর্তিতে সহযোগীতার কথা বলেছেন তা দেননি। সামান্য কিছু সার ছাড়া কিছু দেননি। এখন তিনি আসলেও কথা বলেন না। জোর করে আমার খ্যাতে সাইনবোর্ড দিয়ে যায় সিনিয়ন কর্মকর্তারা ভিজিটে আসবেন বলে। একই ধরনের অভিযোগ করলেন,একই গ্রামের আব্দুল জলিল। মাঠে একদিকে যেমন সবজি চাষ হচ্ছে তেমনি চলছে পরিচর্চা এবং কেউ আবার ব্যস্ত খেত তৈরি নিয়ে। সবকিছুর পরেও মাঠে এখন সবুজের সমারোহ। এ বিষয় ভোলা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ রিয়াদ উদ্দিন বলেন, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো: হারুন মাঠে কাজ করে আর আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকবেই। কারন আমরা সকল কৃষককে খুশি করতে পারছি না। যাদের সুযোগ দিতে পারছি না, তারাই আমাদের বিরুদ্ধে অভিয্গো করছেন। তার পরেও কেউ যদি লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে তা হলে অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT