নগরীর বাটারগলিতে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ॥ দুর্ভোগে স্থানীয়রা নগরীর বাটারগলিতে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ॥ দুর্ভোগে স্থানীয়রা - ajkerparibartan.com
নগরীর বাটারগলিতে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ॥ দুর্ভোগে স্থানীয়রা

3:22 pm , November 29, 2020

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নগরীর ডাক্তারপাড়া খ্যাত বাটার গলির দুই পাশে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের কারনে বিপাকে পড়েছে এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা। সন্ধ্যার পর থেকে গলিতে যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয় মোটর সাইকেলসহ তিন চাকা বিশিষ্ট বিভিন্ন যানবাহন। এতে বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল এক প্রকার বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে ডায়গনষ্টিক মালিকরা গাড়ি পাকিংয়ের কোন ব্যবস্থা না রাখায় এমন ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধিদের মোটর সাইকেল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পাকিং করায় গলির অবস্থা হযবরল হয়। এই কারনে প্রায়ই এলাকাবাসীদের তর্ক-বিতর্ক হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, গলিতে কনিকা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, গ্লোব ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কে এশিয়া ল্যাব, ন্যাশনাল মেডিকেল সার্ভিসসহ বেশ কিছু ডায়গনষ্টিক সেন্টার রয়েছে। এছাড়াও গলির বিভিন্ন ভবনে স্বনামধন্য চিকিৎসকদের চেম্বার রয়েছে। এসব ডায়গনষ্টিক সেন্টারে পরীক্ষা নিরীক্ষা করাসহ চিকিৎসকদের কাছে আসে বিভাগের বিভিন্ন এলাকার রোগী ও স্বজনরা। বিকেল থেকে তারা হাজির হতে থাকে। এদের সাথে সাথে রয়েছে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি। গলিতে গাড়িং পাকিংয়ের কোন ব্যবস্থা না রেখেই গড়ে তোলা হয়েছে ডায়গনষ্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকদের চেম্বার। এই কারনে গুটি কয়েক গাড়ি পাকিংয়ের ধারন ক্ষমতার এ গলিতে বিকেলের পর থেকে শত শত মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন রাখা হচ্ছে। এরাকাবাসী অভিযোগ করেছে, ন্যাশনাল মেডিক্যাল সার্ভিসের সামনে একটি ফাঁকা স্থান রয়েছে। কিন্তু ভবন মালিক আব্দুল খালেক ওরফে সেন্টু মিয়ার নির্দেশে গেট সব সময় তালা দেয়া থাকে। তার নিজস্ব গাড়ি ছাড়া অন্য যানবাহন প্রবেশ নিষেধ করা হয়। এতে রোগীদের নিয়ে আসা যানবাহন গলিতে রাখা হয়। ডায়গনষ্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ বিপুল অর্থ আয় করলেও যানবাহন শৃংখলার জন্য কোন ব্যবস্থা রাখেনি। এমনকি একজন কর্মীও নিয়োগ দেয়নি। এ বিষয়ে এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ রিয়াজ জানান, গলিতে অর্ধশত পরিবার দীর্ঘদিন বাস করে। গলিতে প্রতিদিন এই যত্রতত্র পার্কিং এর জন্য ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের। এমনকি প্রায় দিনই ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের সাথে ঝামেলা হয়। এ নিয়ে একাধিকবার ডায়গনষ্টিক মালিকদের অবহিত করলেও তারা প্রতিকারে কোন ব্যবস্থা নেয় না। এমনকি ডায়াগনস্টিক ল্যাবের সামনে ফাঁকা স্থান খুলে দেয় না। এতে সড়কের উপর রোগীরা গাড়ি রেখে চলে যাচ্ছেন। তারা এমনভাবে গাড়ি রাখে যে একটি শিশু যাওয়ার সুযোগ তাকে না। এমনকি যদি কোন দুর্ঘটনাও ঘটে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও প্রবেশ করতে পারবে না। গলিতে শৃঙ্খলা বজায় রেখে গাড়ি পাকিংয়ের কিংবা বিকল্পভাবে যানবাহন রাখার দাবী করেছেন বাসিন্দা রিয়াজ। তা না হলে যে কোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটনার শংকা প্রকাশ করেছেন তিনি। এলাকার অপর এক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির স্টাফরা গলিতে যত্রতত্র মোটর সাইকেল রেখে ধুমপান শুরু করে। তাদের গলিতে রাত ৯টার পর আসার নিয়ম থাকলেও তারা বিকেল থেকে গলিতে হাজির হয়ে জোট বেধে আড্ডা শুরু করে যেন এটি একটি বিনোদন কেন্দ্র। তাদের হাসি-তামাসায় এলাকার নারীরা প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে। এলাকার বসবাসকারী বাসিন্দা সৈয়দ সাজদা, রাজু, কনক, লিটন, স্বপন, জসিম, রফিক, মজিদ মাস্টার সহ সকলে অভিযোগ করে বলেন, প্রতিনিয়ত মোটরসাইকেল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখে। এতে যাতায়াত সহ প্রয়োজনীয় কাজে বাধার সম্মুখীন হন। তাই সকল ডায়াগনস্টিক মালিকদের প্রতি পার্কিং এর ব্যবস্থা রাখার অনুরোধ করেছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT