মহিপুর বন বিভাগের জমি দখল করে অবৈধ ঘড় তোলার অভিযোগ মহিপুর বন বিভাগের জমি দখল করে অবৈধ ঘড় তোলার অভিযোগ - ajkerparibartan.com
মহিপুর বন বিভাগের জমি দখল করে অবৈধ ঘড় তোলার অভিযোগ

3:01 pm , November 20, 2020

কুয়াকাটা প্রতিবেদক ॥ মৎস্য বন্দর মহিপুর বাজারে বন বিভাগের জমি অবৈধভাবে দখল করে ঘর তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মহিপুর বিট অফিসের সামনের রাতের আধারে ঘর তুলছে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী মহল এআর ফিস। মহিপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তাকে অবৈধ পন্থায় সন্তুষ্টি করে এ দখল বাণিজ্য চলছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। তবে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দাবী ডিসিআর ছাড়া কোন জমি দখল হচ্ছে না। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহিপুর মৎস্য বন্দরে প্রবেশ করে কিছুদুর গেলে একটি কালভার্টের পরেই বনবিভাগের বিট অফিসের সাইনবোর্ড দেখা যায়। তার বিপরীত পাশেই শিববাড়িয়া নদী সংলগ্নে বনবিভাগ মোট ১৬ শতাংশ জমির দাবীদার। অথচ স্থানীয় ভূমি উক্ত জমি তাদের দাবী করে ডিসিআর মতে দোকান-ঘর তোলার অনুমতি দিয়েছে। এ নিয়ে মহিপুর ভূমি অফিস ও বনবিভাগ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় কতিপয় অসাধু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ভূমি অফিসের সাথে আতাত করে অবৈধ ফায়দা লুটছে বলে স্থানীয় সচেতন মহল দাবী করেন। তাদের মতে, মহিপুরে শুধু বন বিভাগের জমি ছাড়া রাতের আধারে এভাবে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠে যার কোন সঠিক প্রতিকার পাওয়া যায় না। মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা এ বিষয়ে মহিপুর থানায় সাধারন ডায়রী করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না বলে জানা যায়। সেখানে রাসেল আকন নামের স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যাক্তি রাতের আধারে ঘড় তুলে এ. আর ফিস নামে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। জমি দখল ও ডিসিআর এর বিষয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক ও মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার নিকট হতে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানের মালিকের রাসেল আকন জানায়, ২০১৯ সাল পর্যন্ত তার ডিসিআর নবায়ন করা আছে। অথচ ভূমি সহকারী জানায়, ২০২২ সাল পর্যন্ত উক্ত জমির ডিসিআর নবায়ন রয়েছে। প্রকৃত সত্য কোনটি সে বিষয়ে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। কাগজ দেখতে চাইলেও কথা এরিয়ে যায়। এ বিষয়ে এআর ফিস প্রতিষ্ঠানের মো. রাসেল আকন বলেন, এ জমিতে আমার ডিসিআর আছে। ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিসিআর নবায়ন করা আছে। এছাড়াও সেমি পাকা ঘড় তোলার বিষয়ে পটুয়াখালী ডিসি অফিসের অনুমতি রয়েছে। মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান জানান, বনবিভাগ যে জমি তাদের বলে দাবী করছে প্রকৃতপক্ষে সে জমি ভূমি অফিসের। ওখানে বাণিজ্যিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করার অনুমতি রয়েছে। যারা ঘড় তুলছে তাদের ২০২২ সাল পর্যন্ত ডিসিআর নবায়ন করা আছে। মহিপুর বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বনবিভাগের জমিতে মহিপুর ভূমি অফিস তাদের জমি বলে অবৈধভাবে ঘড় তুলতে অনুমতি দিচ্ছে। তাদের জমি হলে তারা দিনের বেলায় ঘড় না তুলে রাতের আধারে ঘড় তুলবে কেনো? আমি এবিষয়ে মহিপুর থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেছি। এছাড়াও আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে রেখেছি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT