ভোলায় নদী ভাঙন প্রতিরোধে মানববন্ধন ভোলায় নদী ভাঙন প্রতিরোধে মানববন্ধন - ajkerparibartan.com
ভোলায় নদী ভাঙন প্রতিরোধে মানববন্ধন

3:28 pm , October 27, 2020

মো: আফজাল হোসেন, ভোলা ॥ আমাদের বাচাঁন নদী সব নিয়ে যাচ্ছে, বাকী যা আছে তাও বিলিনের পথে। শেষ সম্বল ভিটি গেলে কই থাকুম। হ্যা এমনি ভাবেই বলছিলেন অসহায় এরক বৃদ্ধ। চোখে ভালো দেখতে না পেলেও হাজির হয়েছেন নদী ভাঙ্গন রোধে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে। বিলিনের পথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,হাট-বাজারসহ শত শত ঘর-বাড়ি আর মসজিদ।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পাঙ্গাশিয়া নদীর তীরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ রুহুল আমিন মাস্টার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহ আলম হাওলাদার, যুগ্ম সম্পাদক ওমর ফারুক গাজীসহ শত শত নারী-পুরুষ আর ছোট কোমলমতি শিশুরাও তাদের আশ্রয় স্থলটুকু রক্ষায় এলাকাবাসীর সাথে অংশ নিয়েছে। এসময় বক্তারা বক্তারা বলেন, ভোলার পাঙ্গাশিয়া নদীর তীব্র ভাঙনে সদর উপজেলার শত বছরের ঐতিয্যবাহী পাঙাশিয়া বাজার, ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ শত শত বাড়িঘর হুমকির মুখে পড়ছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি পরিবার ভিটিমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। দিশেহারা হয়ে এলাকাবাসী ভাঙন প্রতিরোধে মানববন্ধন করেছে। এসময় তারা ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।
এদিকে শিক্ষকরা মানববন্ধনের অংশ নিয়ে বলেন, যে ভাবে নদীতে ভাঙ্গছে তাতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিগ্রই বিলিন হয়ে যাবে। ফলে এলাকার হাজারো শিক্ষার্থীর জীবন হুমকির মুখে পড়বে। ভেঙ্গে পরবে এসব শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যবস্থা। একই সাথে সুর মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, সরকারের উচিত দ্রুত আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রক্ষা করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের। না হলে বিভিন্নস্থানে নদী ভাঙ্গনের ফলে বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিলিন যে ভাবে হয়েছে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো একই ভাবে বিলিন হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT