নজরদারিতে নেই কিশোর গ্যাং নজরদারিতে নেই কিশোর গ্যাং - ajkerparibartan.com
নজরদারিতে নেই কিশোর গ্যাং

3:02 pm , October 25, 2020

শামীম আহমেদ ॥ কিশোর গ্যাং বা গ্রুপ সম্প্রতি দেশজুড়ে আলোচনায় থাকা একটি বিষয়। যার মাধ্যমে কিশোরদের নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্যও বেড়িয়ে আসছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, নগরীসহ জেলায় কিশোর গ্যাং বা গ্রুপের কোনো অস্তিত্ব বর্তমানে নেই। তবে এখানে কিছু কিশোর এককভাবে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত রয়েছে। তাদের দ্রুত নিয়ম অনুযায়ী আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, কিশোর অপরাধীরা যেকোনো সময় সংঘবদ্ধ হয়ে গ্রুপে রূপ নিতে পারে। মহানগর পুলিশের কর্মকর্তাদের মতে, গোটা নগরজুড়ে তাদের বিভিন্ন ইউনিটের জোরালো নজরদারি রয়েছে। ফলে কিশোর অপরাধীদের সংঘবদ্ধ হওয়া বা তাদের অপরাধ সংঘটিত করার ক্ষেত্রে আইন ও বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হবে। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, এক সময় নগরীতে আব্বা গ্রুপ আর বানারীপাড়া উপজেলাতে হাতুড়ে গ্রুপের নাম শোনা গেলেও বর্তমানে পুলিশের কঠোর অবস্থানে তার কোনো অস্তিত্ব নেই। সম্প্রতি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছেলেরা সংঘবদ্ধ হয়ে আড্ডা দেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগেই বখাটেপানায় লিপ্ত হচ্ছে। কেউ কেউ মাদক সেবনের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ছে। সূত্র বলছে, মাদক সেবন ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মারামারিসহ কিশোরদের কিছু অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটছে। তবে এগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছে পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, পাড়া-মহল্লায় কিশোর ও যুবকরা একসঙ্গে অনেকেই আড্ডা দিয়ে থাকে। এমনকি নগরীর বিভিন্ন পার্কেও আড্ডা দিচ্ছে সমবয়সী এ রকম বহু গ্রুপ। সমবয়সী বিধায় আধিপত্য বা যেকোনো বিষয় নিয়ে বিরোধের সূত্র ধরে আলাদা দু’টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। কয়েক মাস আগে নগরীর বটতলা এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে গোয়েন্দা তথ্য জানিয়েছে, কিশোর গ্যাং বলতে যা বোঝায় সে ধরনের কোনো বিষয় এসব কিশোর-যুবকদের মধ্যে এখনও পরিলক্ষিত হয়নি। অপরদিকে জেলার ১০ থানা এলাকাতেও কিশোর গ্যাং বা গ্রুপের কোনো তথ্য নেই পুলিশের হাতে। তাদের মতে নগরে যেটা সম্ভব, মফস্বল বা গ্রাম অঞ্চলে সামাজিক কারণে সেটা অনেকটাই কঠিন। সেক্ষেত্রে কিশোর গ্যাং বা গ্রুপের সৃষ্টি হওয়াটাও গ্রাম অঞ্চলে অনেকটাই দুষ্কর। তবে উশৃঙ্খলভাবে মোটরসাইকেল নিয়ে উঠতি বয়সের ছেলেদের গ্রুপ বেধে ঘোরাফেরা, এক এলাকা বা জায়গাতে একটি সমবয়সী গ্রুপের কিশোরদের আড্ডা দেওয়া, মাদক সেবন করে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করাসহ নানা দিকে খেয়াল রাখছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। প্রয়োজন অনুযায়ী এদের বিরুদ্ধে আইনগত ও সামাজিকভাবে ব্যবস্থাও নিচ্ছেন তারা। জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাজাহান হোসেন বলেন, কিশোর অপরাধ রুখতে মাঠপর্যায়ে গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে তাদের। তার মতে, কিশোর অপরাধ রুখতে বা সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ফ্যামিলি কাউন্সেলিং সব থেকে বড় বিষয়। এক্ষেত্রে অভিভাবকরা মূল ভূমিকা নেবে। সঙ্গে শিক্ষকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। অভিভাবকদের খোঁজ নিতে হবে তাদের সন্তান কী করছে, কোথায় যাচ্ছে, কাদের সঙ্গে মিশছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT