জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মাদরাসার জমি দখল জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মাদরাসার জমি দখল - ajkerparibartan.com
জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মাদরাসার জমি দখল

3:03 pm , October 20, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নগরীর উত্তর জাগুয়ায় অবস্থিত এছাহাকিয়া কেরাতুল কোরআন মডেল মাদরাসার জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি জালাল আহমেদের বিরুদ্ধে। শুধু জমি দখলই নয় এলাকায় নানা ধরণের অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার মাদরাসা দখলের চেষ্টা করলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় জালালের সাথে মাদরাসা কমিটির সহ-সভাপতি ও দাতা সদস্য জাকির হোসেনের বাকবিতন্ডা হয়। এর এক পর্যায়ে মাদরাসা কমিটির সদস্য সিদ্দিকুর রহমানকে মারধর করে জালাল ও সহযোগীরা। এরপর মাদরাসা কমিটির লোকজনকে ফাঁসাতে এবং মাদরাসা কমিটির সদস্যদের নামে মিথ্যে মামলা দেয়ার উদ্দেশ্যে জালালেল সহযোগী আলামিন হোসেন নাটকীয়ভাবে শের-ই বাংলা হাসপাতালে ভর্তি হন। গত কয়েক মাস ধরে মাদরাসার জমি দখল নিয়ে ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মাদরাসা কমিটির লোকজন এ ঘটনায় পুলিশ কমিশনার বরাবরে ২৯ সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উত্তর জাগুয়া এছাহাকিয়া কেরাতুল কোরআন মডেল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ হাওলাদার তার ক্রয়কৃত ৩২ শতাংশ জমি ১৯৮১ সালে রেজিষ্ট্রি করে মাদরাসার জন্য দান করেন। তিনি ২০০৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পরবর্তীতে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মাদরাসাটি বন্ধ থাকার সুযোগে ভূমিদস্যু জালাল আহমেদ ও তার ভাতিজা নুরু মেম্বার ও ঝালকাঠী জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মজিবর রহমান মিলে জালজালিয়াতির মাধ্যমে তাদের নামে ১০ শতাংশ জমি দলিল করে। ২০১৭ সালের পুনরায় স্থানীয় গণ্যমান্য সর্বসাধারণের সম্মতিতে জনসমর্থিত কমিটি দিয়ে স্থানীয়রা মাদরাসাটি চালু করেন। মাদরাসায় বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ২শ হওয়ার কারণে শ্রেনী কক্ষ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এ জন্য মাদরাসার স্থাপনা নির্মান করতে গেলে জালাল ও তার ভতিজা বাধা প্রদান করেন। মাদরাসা পরিচালনা কমিটি বাধা দেয়ার কারণ জানতে চাইলে জালাল মাদরাসার জমির মালিকানা দাবী করেন। মাদরাসার জমি কিভাবে তিনি মালিক হলেন এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ গত ১৮ সেপ্টেম্বর জুমআর নামাজের বয়ানে তিনি বয়ানের নামে জনগনের মধ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেন। ফলে জুমার নামাজে হাতাহাতি ও মারামারির সৃষ্টি হয়। মাদরাসাটি নির্মানের পর থেকেই তিনি বিরোধীতা করে আসছেন এবং মসজিদের মাইকে জুমার নামাজে আল্লাহ ও রাসুলের কথা বাদ দিয়ে তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও জমিদাতা মরহুম আব্দুল লতিফকে নিয়ে আক্রমনাত্মক ও উস্কানীমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। মিথ্যা, বানোয়াট এবং কোরআন হাদিসের অপব্যাখা দেয়ার কারণে তার পেছনে মানুষ নামাজ পড়া পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছে। শুধু তাই নয় জালালের ইসলাম সম্পর্কে অপব্যাখ্যা এবং অপরাধমূলক কর্মকান্ডের কারণে একই স্থানে মুসুল্লীরা একাধিক মসজিদ নির্মান করে যে যার মত করে নামাজ আদায় করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT