কষ্টে আছেন দক্ষিণের সাধারন মানুষ কষ্টে আছেন দক্ষিণের সাধারন মানুষ - ajkerparibartan.com
কষ্টে আছেন দক্ষিণের সাধারন মানুষ

2:34 pm , October 14, 2020

বিশেষ প্রতিবেদক ॥ নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি স্থায়ী রূপ লাভ করায় দক্ষিণাঞ্চলের সাধারন মানুষ যথেষ্ট কষ্টে আছেন। করোনা সংকটে জেরবার নির্ধারিত আয়ের মানুষগুলোর সংসার চালানো ক্রমে অসম্ভব হয়ে পড়ছে নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারনে। পেয়াঁজের কেজি ৮৫-৯০ টাকায় বৃদ্ধি পেয়ে স্থায়ী রূপ লাভ করলেও তা নিয়ে সব অলোচনা আর সরকারী তৎপরতা কমেছে। এর মধ্যেই গত ১৫ দিনে গোল আলুর দামও এ যাবতকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছেছে।
চাল আর সয়াবিন তেলের দামও দফায় দফায় বাড়লেও নিত্যপণ্যের এ লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখন আর কোন মহলের হেলদোল নেই। এমনকি নগরী সহ দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলা সদরে টিসিবি যে অতি সীমিত আকারে কিছু পেয়াঁজ আর ভোজ্যতেল বিক্রি করতো। মজুদ সংকটে বুধবার তা আরো সীমিত করা হয়েছে। এর আগে মাথাপিছু ১ কেজি পেয়াঁজ বিক্রি করছিল রাষ্ট্রীয় বানিজ্য সংস্থাটি। ফলে ট্রাক খুজে এক কেজি পেয়াঁজে কেনার আগ্রহ বেশীরভাগ মানুষের মধ্যেই লক্ষ্য করা যায়নি। বাজারেও কোন ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। দু দফার প্রাকৃতিক দূর্যোগে শীতকালীন আগাম শাক-সবজি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় এসব পণ্যের দামও আকাশ ছোয়া। ৬০ টাকা কেজির নিচে কোন সবজি মিলছে না।
দক্ষিণাঞ্চলের বাজারে এখন আর আমদানীকৃত কোন পেয়াঁজ নেই। স্থানীয় জাতের পেয়াঁজের কেজি ৮৫-৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে আমদানীকৃত কোন পেয়াঁজ না থাকলেও দেশী পেয়াজের সরবরাহে কোন ঘাটতি নেই। মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বুধবার টিসিবি’র বরিশাল ডিপো থেকে ডিলারদের পেয়াঁজ সরবরাহ আরো সীমিত করা হয়েছে। এখনো রাষ্ট্রীয় বানিজ্য সংস্থাটি পেয়াঁজ বিক্রির ক্ষেত্রে আরো গনমুখি হতে না পারার সাথে সরবরাহ ঘাটতি পরিস্থিকে আরো নাজুক করে দিচ্ছে। তবে বুধবার বিকেলের মধ্যেই বরিশাল ডিপোতে পেয়াঁজ পৌছার কথা জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
এদিকে দক্ষিণাঞ্চলের বাজারে দেশী রসুন ৮০Ñ৮৫ টাকায় বিক্রি হলেও চীনা রসুনের কেজি দেড়শ টাকার উপরে। দেশী ছোট আদার কেজি ৭৫Ñ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও আমদানীকৃত চীনা আদা আড়াইশ টাকা কেজি। খুচরা সয়াবিন তেলের দামও লিটার প্রতি ১০-১২ টাকা বেড়ে এখন ১শ টাকার উপরে। প্যাকেটজাত তেলের দামও প্রতি লিটারে ৫-৭ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
এদিকে চালের বাজারেও অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। গত একমাসে প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে ৩-৫ টাকা পর্যন্ত। মোটা স্থানীয় জাতের চালের কেজি ৪২ টাকার ওপরে। মধ্যম মানের মিনিকেট চাল ৫৫ টাকা কেজি। মে মাসের ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’এর পরে আগষ্টে ভাদ্রের অমাবশ্যায় ভর করে ফুসে ওঠা সাগরের জোয়ার আর উজানের বণ্যার পানির প্লাবনে দক্ষিণাঞ্চলে সব আগাম শীতকালীন সবজি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সাথে গোল আলুর অগ্নিমূল্য মানুষের দূর্ভোগর মাত্রাকে আরো বৃদ্ধি করেছে। ফলে বাজার সরবারহ ঘাটতির পাশাপাশি এখন ৬০ টাকা কেজির নিচে কোন সবজি নেই।

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT