ডাঃ আজাদ হত্যা মামলার বাদীর অভিযোগ সবাই ম্যানেজ ডাঃ আজাদ হত্যা মামলার বাদীর অভিযোগ সবাই ম্যানেজ - ajkerparibartan.com
ডাঃ আজাদ হত্যা মামলার বাদীর অভিযোগ সবাই ম্যানেজ

3:17 pm , September 16, 2020

হেলাল উদ্দিন ॥ নগরীর কালিবাড়ী রোডের মমতা স্পেশালাইজড হাসপাতালের ডা. আজাদের লাশ উদ্ধারের ৫ মাস অতিক্রম হতে চলেছে। দীর্ঘ এই সময়ের মধ্যে তার মৃত্যুর রহস্য উদঘটন তো দূরের কথা সামান্য ক্লু পর্যন্ত বের করতে পারেনি পুলিশ। অস্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু ঘটা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. এম এ আজাদের মৃত্যু রহস্য উদঘটন নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ যখন অনেকটা অন্ধকারে নিমজ্জিত তখন সেই অন্ধকারে সামান্য আলো জ¦ালাতে এসেছে ডাঃ আজাদের ময়না তদন্ত প্রতিবেদন। কয়েক দিন আগে এ হত্যা মামলার ময়না তদন্ত পুলিশের কাছে এসে পৌছায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) এ আর মুকুল। তবে রিপোর্টে মৃত্যুর কারন কি উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানাতে রাজি হন নি তিনি। তিনি বলেন সবে মাত্র রিপোর্ট পেলাম। এখন তা নানা ভাবে বিশ্লেষন করার প্রয়োজন রয়েছে। এদিকে মামলার বাদী ডাঃ আজাদের ভাই ডাঃ শাহরিয়ার উচ্ছাস অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ এতদিন বলে আসছিলো পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর কারন উদঘটন করাসহ মামলা তদন্ত কার্যে বেশগতি আসবে। কিন্তু রিপোর্ট আসার পরও পুলিশের এমন আচরন আমাদের আশাহত করেছে এবং সন্দেহের দুয়ার উন্মোচিত করেছে। উচ্ছাস অভিযোগ করে বলেন, দিনে দুপুরে নগরীতে একজন স্বনামধন্য চিকিৎসকের অস্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু ঘটলো। সে মৃত্যু রহস্য উদঘটনে কারো যেন কোন দায়ই নেই। মিডিয়া স্বপ্রনোদিত হয়ে কোন সংবাদ প্রকাশ করছে না। পুলিশও রিপোর্টের অপেক্ষায় বসে থাকে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন রিপোর্ট ছাড়া পুলিশ রহস্য উন্মোচন করে না? তিনি হতাশার সুরে বলেন, সব কিছু দেখে মনে হয় সবাই যেন কোন মহলের কাছে ম্যানেজ হয়ে গেছে।
তথ্য মতে গত ২৮ এপ্রিল নগরীর কালীবাড়ি রোডে মমতা স্পেশালাইজড হাসপাতালের লিফটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় ডাঃ আজাদের মরদেহ।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই ডা. শাহরিয়ার উচ্ছ্বাস অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রহমান মুকুলকে। কিন্তু মাসের পর মাস তদন্ত করেও তদন্তকারী দল ডাঃ আজাদের মৃত্যু রহস্য বের করতে ব্যর্থ হয়। বিষয়টিকে ক্লু লেস আখ্যা দিয়ে ময়না তদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় থাকে তারা। এদিকে মৃত্যুর পরপরই বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে আসছিলো মামলার বাদী ও ডাঃ আজাদের পরিবার। উল্লেখ্য ডা. এম এ আজাদের বাড়ি পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার সোহাগদল গ্রামে। তিনি মমতা স্পেশালাইজড হাসপাতালের সাত তলার একটি ইউনিটে থাকতেন। তার স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তান ঢাকার কেরানীগঞ্জে থাকেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT