পাথরঘাটায় বন বিভাগের ফরেষ্টার মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাথরঘাটায় বন বিভাগের ফরেষ্টার মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ - ajkerparibartan.com
পাথরঘাটায় বন বিভাগের ফরেষ্টার মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

3:32 pm , July 8, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ পাথরঘাটা রেঞ্জের কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছে অবসরে যাওয়া মোঃ ইউসুফ হারুন (এফজি নং-৬৯ পাথরঘাটা ও হরিনবাড়িয়া ক্ষন বিট ক্যাম্পে কর্মরত মোঃ ইউসুফ আলী হাওলাদার। লিখিত অভিযোগ পত্রে জানা যায় ২০১৮ সালে মনিরুজ্জামান চলতি দায়িত্বে রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। কিন্তু দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই এখন পর্যন্ত বন বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ, আবাসিক ভবন মেরামত, বিভিন্ন যানবাহন মেরামত ও বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় বাগান সৃজনের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দ পায়। উক্ত বরাদ্দের ভাউচার ও মাষ্টার রোল দাখিল করিয়া নাম মাত্র কিছু টাকা খরচ করিয়া বিভিন্ন ভাবে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করিয়াছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মচারীরা বলেন, প্রমান সমুহ ক্যাশ বই ভাউচার, নোট বই, মাষ্টার রোল চেক তদন্ত করা হলে তার দূর্নীতি বেড়িয়ে আসবে। উল্লেখিত টাকা আত্মসাতের বর্ননায় দেখা যায় ২০১৭-১৮ সালে ম্যানগ্রোভ বাগানের শুন্যস্থান পূরনের টেংরা বন কেন্দ্রের আওতায় ৭৯ হাজার টাকা খরচ দেখানো হলে সেখানে ২৬ হাজার টাকা খরচ করে বাকী টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ২০১৮-১৯ সনের পাথরঘাট সদর বিটে ২০ হেক্টরের টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। কিন্তু ভাসমান কেওরা বীজ ছড়ানো ছিটানো ও এলো পাথরি ভাবে উৎপদিত ন্যাচারাল চারা দ্বারা বাগানটি সৃজন দেখাইয়াছে। রেঞ্জ সদর বিট ও চরদুয়ানী বনকেন্দ্রে সঠিক প্রজাতির চারা রোপন করা হয়নি। দুইটি কেন্দ্রের অধীনে সৃজন বাগানে বাঁশের ঘুটির পরির্বতে বন হইতে গেওয়া চারা গাছ কর্তন করিয়া খুটা হিসাবে ব্যবহার করা হইয়াছে। টেংরা বনকেন্দ্রের সরকারী কাজ-কর্মের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়া মোঃ ইউসুফ আলী হাওলাদার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বদলী করে এবং চাকুরী এক বছর চার মাস থাকতেও জোড় পূর্বক অবসর যেতে বাধ্য করা হয়েছে। পাথরঘাটার ৩ জন ষ্টাফ একই আদেশে উপরোক্ত কারন সমুহের জন্য বদলী হইতে বাধ্য হইয়েছে। টেংরা বন কেন্দ্রের আওতায় ২০ হেক্টর ইনরেজমেন্ট বাগান সৃজন করা হয় তাহাতে বাজেট ছিল ১৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা অনুদান। সঠিক প্রজাতির চারা রোপন করা হয় নাই এবং উক্ত বাগানেও গেওয়ার খুটির দ্বারা চারার সাথে খুটি ব্যবহার করা হইয়াছে। খরচ ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা বাকী টাকা আত্মসাৎ করেন মনিরুজ্জমান। এছাড়াও আরো অনেক টাকা রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিট কর্মকর্তা স্বাক্ষর জাল করে আত্মসাৎ করে। দূর্নীতিবাজ কর্মচারী মোঃ মনিরুজ্জমানের সকল দুর্নীতি তদন্ত পূর্বক বিচারের আওতায় আনার জন্য ও আত্মসাতকৃত সরকারি অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT