বাকেরগঞ্জে ১নং চরামদ্দি ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কারের নামে চলছে হরিলুট বাকেরগঞ্জে ১নং চরামদ্দি ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কারের নামে চলছে হরিলুট - ajkerparibartan.com
বাকেরগঞ্জে ১নং চরামদ্দি ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কারের নামে চলছে হরিলুট

12:01 pm , June 21, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বাকেরগঞ্জে ১নং চরামদ্দি ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কারের নামে চলছে অর্থ আতœসাতের মিশন। অভিযোগ উঠেছে ৮ নং ওয়ার্ড মেম্বর আহসান কবির এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার মিলে এ মিশনে নেমেছেন। কাজের জন্য টাকা বরাদ্ধ থাকলেও কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে নামে মাত্র চাল দিয়ে তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন তারা। তবে বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে রাস্তা সংস্কার হচ্ছে কি হচ্ছে না বা কোন প্রকল্পের কাজ সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য দিতে পারেননি ইউপি চেয়ারম্যান গাউছেল আলম খান। তিনি বিভ্রান্তিকর একাধিক তথ্য দিয়ে শেষমেস মেম্বরের সাথে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন। অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের আলিদাশিয়া গ্রামে কয়েক দিন আগে একটি কাচা রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করে সংশ্লিষ্ট মেম্বর আহসান কবির ও ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার রাজিয়া বেগম। মাত্র ৫ জন শ্রমিক দিয়ে রাস্তার বিভিণœ অংশে সামান্য মাটি ভরাট করেই কাজ শেষ করার পায়তারা শুরু করেন তারা। যেসব শ্রমিক কাজ করছেন তাদেরকে কোন নগদ টাকা নয় চাল দেবার কথা বলেন মেম্বারদ্বয়। তারা শ্রমিকদের আরো বলেছেন, এ কাজের জন্য ২ টন চাল বরাদ্ধ এসেছে কোন নগদ টাকা আসেনি। অথচ ভিন্ন তথ্য দিলেন চেয়ারম্যান গাউছেল আলম খান। তিনি জানালেন কাজটি ডানিডা প্রকল্পের কাজ এবং সংস্কার নয় সম্পূর্ন নতুন ভাবে করা হচ্ছে। এর জন্য টাকা বরাদ্ধ আছে। এ কাজের জন্য শ্রমিকদের চাল দেবার কোন সুযোগ নেই। তাহলে প্রশ্ন উঠে শ্রমিকদের যে চাল দেয়া হয়েছে সে চাল আসলো কোথা থেকে। আর শ্রমিকদের টাকা না দিলে কাজের জন্য বরাদ্ধ কৃত টাকা কোথায় যাবে। এমন প্রশ্নে অনেকটা বিচলিত হন চেয়ারম্যান। তিনি মেম্বারকে ফোন করে জেনে এই প্রতিবেদককে জানানোর কথা বলেন। পরক্ষনেই ফোন করে সুর পাল্টে ফেলেন তিনি বলেন আসলে এটা সংস্কার কাজ। রাস্তার কিছু কিছু স্থানে মাটি ফেলে সামান্য সংস্কার করা হচ্ছে। এর বেশি কিছু না বলে তিনি মেম্বারের সাথে কথা বলার জন্য বলেন। কিন্তু মেম্বারকে একাধিক বার কল করলেও তিনি তিনি তা রিসিভ করেন নি। কাজ করা শ্রমিক বলেন, গত দুদিন আগে তাদেরকে ডেকে মেম্বার আহসান কবির প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে চাল ও ৩ কেজি আলু দিয়েছেন এবং কেউ জানতে চাইলে রাস্তার কাজ বাবদ নয় ত্রান পেয়েছে বলে বলতে বলেছে। ৩০ কেজি চাল ও ৩ কেজি আলু কোন ধরনের এবং কিসের ত্রান সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT