করোনা সংক্রমন এড়ানোর যুদ্ধে বিভাগবাসী করোনা সংক্রমন এড়ানোর যুদ্ধে বিভাগবাসী - ajkerparibartan.com
করোনা সংক্রমন এড়ানোর যুদ্ধে বিভাগবাসী

2:36 pm , March 24, 2020

 

সাঈদ পান্থ ॥ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বরিশালের সাধারণ মানুষ ও প্রশাসন তৎপর। ইতোমধ্যে বিভাগে গত এক মাসে আসা প্রায় ১০ হাজার প্রবাসীর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত মাত্র ২ হাজার ২৩৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে গোটা বরিশাল বিভাগে। চলছে প্রবাসীদের খুজে বের করার প্রক্রিয়া। এদিকে নৌযান থেকে শুরু করে কোন যানবাহনে করোনা ঠেকানোর কোন প্রস্তুতি না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই গন্তব্যে ছুটছেন লাখো যাত্রী। অপর দিকে প্রায় আড়াই মাস ধরে চীন থেকে কোন কাঁচামাল বরিশালে না আসার ফলে সংকটে পড়েছে কয়েকশ শিল্প প্রতিষ্ঠান। শুধু তাই নয়, সুর্যদয় ও সুর্যাস্ত দেখতে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা এখন দর্শনার্থী শুন্য। পাশাপাশি সারা দেশের মত নেই স্কুল কলেজ খোলা। এমনকি কোচিং সেন্টারও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ মাদারীপুরের সাথে বরিশালের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। চলছে বিভিন্ন পর্যায়ে ভ্রাম্যমান আদালত। এদিকে চলছে নানা ধরনের গুজব। করোনার সংক্রমনের আশংকায় বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের মধ্যে অস্বস্তি বিরাজ করছে। অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
স্ব^াস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশালে নতুন ৮১ জনসহ ৪৭৮ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ২০ জনসহ ৬০৭ জন, ভোলায় নতুন ৫০ জনসহ ৩২২ জন, পিরোজপুরে নতুন ৩৯ জনসহ ৩৪২ জন, বরগুনায় নতুন ৩৬ জনসহ ৩০০ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ১০ জনসহ ১৭১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) এলাকায় নতুন দু’জনসহ ১৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এদিকে বিভাগটিতে গত ১০ মার্চ থেকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা মোট ৫৩০ জনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। স্ব^াস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, কোয়ারেন্টিনে থাকা ২২৩৪ জনের অধিকাংশই প্রবাসী। তবে বরিশাল বিভাগে এখন পর্যন্ত কারো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য পরিচালক বলেন, কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনদের পর্যবেক্ষণ করছেন স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্যকর্মী। পাশাপাশি এদের সবাইকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার কাজে জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহায়তা করছে। আমরা ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায়ে আমাদের সার্সিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আর সেবিকাসহ চিকিৎকদের নিরাপত্তায় পারসোনাল প্রটেকশন সরঞ্জাম এরইমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্টদের শঙ্কার কোনো কারণ নেই।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী বলেন, বরিশাল বিভাগে ১০ হাজারের ওপর বিদেশফেরতের যে সংখ্যা শোনা যাচ্ছে, বাস্তবে তার চিত্র ভিন্ন। কারণ ঢাকা কিংবা অন্যত্র থাকেন তারা গ্রামের বাড়ির ঠিকানা এখানে দেখিয়েছেন। কিন্তু তারা বিদেশ থেকে এসে বরিশালে আদৌ আসেননি। তবে সুনির্দিষ্ট করে বিদেশ ফেরতদের শনাক্ত করতে গ্রাম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী ও পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে। রোববার পর্যন্ত কোন করোনা আক্রান্ত পাওয়া না গেলেও করোনা ভাইরাস প্রশ্নে শংকার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে এ অঞ্চলের মানুষ। শুধুমাত্র চলতি মাসে বিদেশ থেকে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় আসা ৮ হাজারের বেশী প্রবাসী। ঢাকা থেকে আসা বার্তা অনুযায়ী খোঁজ না মেলা বাকি পৌনে ৮ হাজার প্রবাসীকে নিয়েই এখন টেনশনে সবাই। সর্বশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী এসব প্রবাসীদের খুজে বেড় করার চেষ্টা করছে বরিশালসহ বিভাগের ৬ জেলার প্রশাসন। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ‘বিদেশ ফেরত এসব মানুষের তথ্য পেতে উপজেলা ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছেও চাওয়া হয়েছে সহযোগীতা।’
করোনা সংক্রমনের আশংকায় নগরীসহ গোটা বিভাগে সাধারন মানুষের মধ্যে অস্বস্তি বিরাজ করছে। বিশেষ করে বিদেশ ফেরতদের নিয়ে শংকিত মানুষ। বরিশাল জনস্বার্থ রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব মুনাওয়ারুল ইসলাম অলি বলেন, প্রবাসীদের আগমনে শংকা ক্রমশ বাড়ছে। এদের আগেভাগে পর্যবেক্ষনে নিয়ে যাওয়া উচিৎ ছিল। এখন যার বাড়ির পাশে প্রবাসী তারাই আতংকিত। এই অবস্থা থেকে উত্তোরনে শনিবার সভা করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগ নিচ্ছে জনস্বার্থ রক্ষা কমিটি।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে সমুদ্র সৈকত ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় শুনশান নিরাবতা বিরাজ করছে সেখানে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী গত বুধবার রাতে প্রশাসন দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কুয়াকাটা সৈকত ভ্রমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পরপরই ট্যুরিস্ট পুলিশ মাঠে নামে। মাইকিং করে সী বিচ থেকে পর্যটকদের দ্রুত অপসারন করে। হোটেল-মোটেলসহ সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। এই ঘটনার বৃহস্পতিবার পাল্টে যায় কুয়াকাটার দৃশ্য। এখন অনেকাংশে পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা পর্যটন এলাকা। কুয়াকাটার ব্যবসায়ী ও হোটেল মোটেল মালিকরা জানিয়েছেন, এমন নিষেধাজ্ঞায় স্থবিরতা নেমে এসেছে পর্যটন শিল্পে।
পর্যটন এলাকা কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের এএসপি মো: জহিরুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় করোনার কারনে সকল হোটেল-মোটেল বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। খাবার হোটেলও বন্ধ। শামুক-ঝিনুকের দোকান থেকে শুরু করে কোন পর্যটক নির্ভরশীল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এখন খোলা নেই। কুয়াকাটার ট্যুরিজম ব্যবসায়ী জনী আলমগীর বলেন, এভাবে নিষেধাজ্ঞার ফলে লোকসানের মুখে পড়বে পর্যটন খাতে বিনিয়োগকারীগন। এখানকার অধিকাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এনজিওর কাছ থেকে ঋন নিয়েছে। এই মুহুর্তে যাতে এনজিওগুলো কিস্তির টাকা উত্তোলন না করে সে বিষয়ে তিনি প্রশাসনের প্রতি দাবী জানিয়েছেন। কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স এ্যাসোসয়েশন এর সাধারন সম্পাদক মো: মোতালেব শরিফ বলেন, প্রশাসনের নির্দেশে সব হোটেল বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এই ঘোষনায় পর্যটনশিল্পে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
এদিকে করোনা’র সংক্রমন ঠেকাতে মাদারীপুরের সাথে বরিশালের জেলা সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। গত শনিবার থেকে নেয়া হয়েছে এই উদ্যোগ। লঞ্চে অন্য জেলার লোকজনের বরিশালসহ দক্ষিনের বিভিন্ন জেলায় আসা ঠেকাতেও নেয়া হয়েছে ব্যবস্থা। ফেরী ঘাট, টোল পয়েন্ট এবং লঞ্চঘাটে চেকপোস্ট বসিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে বাইরের জেলার লোকজন। ঢাকা সদরঘাটসহ দক্ষিনের সবগুলো নদী বন্দরে লঞ্চের প্রবেশ মুখেই হ্যান্ড সেনিটাইজার অথবা হেক্সিসল দিয়ে জীবানু মুক্ত করা হচ্ছে যাত্রীদের। পরবর্তি নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আবাসীক হোটেলগুলোতে অন্য জেলার গ্রাহক না নিতে দেয়া হয়েছে নির্দেশনা। সবমিলিয়ে করোনা’র সংক্রমন ঠেকাতে চলছে সর্বাত্মক চেষ্টা। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে দিন রাত অভিযান পরিচালনাসহ কোনভাবেই যাতে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় প্রবেশ করতে না পারে এই মারনঘাতি ভাইরাস। সেই যুদ্ধই এখন চলছে পুরো দক্ষিনাঞ্চল জুড়ে।
এদিকে চীন থেকে কাঁচামাল আমদানি বন্ধ থাকায় উৎপাদন প্রশ্নে চরম সংকটে পড়েছে বরিশালের কয়েকশ’ শিল্পপ্রতিষ্ঠান। বর্তমানে যা মজুদ রয়েছে তাতে বড় জোর সপ্তাহ দুইএক চলতে পারে এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন। এ সময়ের মধ্যে আমদানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বেশ কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক। শুধু শিল্পপ্রতিষ্ঠানই নয়, বরিশাল-কুয়াকাটা আন্তঃমহাসড়কের লেবুখালী এলাকায় পায়রা নদীর ওপর চলমান পায়রা ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের কার্যক্রমও বাধাগ্রস্থ হতে পারে চায়না থেকে ব্রিজের নির্মাণ সামগ্রী আসা বন্ধ থাকার কারণে। ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক নূরে আলম জানিয়েছেন এ আশঙ্কার কথা। এই নগরীতে ছোট-বড় মিলিয়ে রয়েছে প্রায় ৭২২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এসব কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের প্রায় পুরো কাঁচামালই আসে চীন থেকে। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে চীন থেকে সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন এসব কারখানার মালিক। পরিস্থিতি এমন যে কিছু কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
অমৃত ফুড অ্যান্ড বেভারেজের পরিচালক রাহুল দে বলেন, আমাদের কোম্পানির বোর্ড এবং কেমিক্যালসহ আরও অনেক কাঁচামাল আসে চীন থেকে। গত প্রায় আড়াই মাস মালামাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থা আরও মাসখানেক অব্যাহত থাকে তাহলে কারখানার উৎপাদন চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
অপরদিকে করোনা মোকাবেলার সরকারীভাবে এখন পর্যন্ত কোন প্রস্তুতি নেই নৌ ও সড়ক পথে। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লঞ্চ মালিক সমিতি এবং নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশন ও বাস মালিক শ্রমিক নেতারা। রাজধানী ঢাকার সাথে সারাদেশে চলাচলকারী ডবল ও ট্রিপল ডেকার প্রায় দেড় হাজার যাত্রীবাহী লঞ্চই কেবল নয়, অভ্যন্তরীন রুটের কয়েক হাজার ছোট ছোট নৌ-যানগুলোর ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি। লঞ্চে ভ্রমন করা যাত্রীদের জন্য আলাদা করে কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়নি স্বাস্থ্য বিভাগ। অথচ ভাইরাসের সংক্রমন প্রশ্নে সবচেয়ে বেশী ঝুকির মধ্যে রয়েছে এসব লঞ্চ যাত্রীরা। কেননা প্রচুর জনসমাগমই কেবল নয়, পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারনে আগাম সর্তকতামূলক কোন ব্যবস্থাই নেয়া সম্ভব হয়না তাদের পক্ষে। তার উপর আবার এসব লঞ্চে প্রতিদিন ভ্রমন করে ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষ। চলমান পরিস্থিতিতে ভাইরাস সংক্রমন প্রশ্নে নৌ পথের যাত্রীদেরকেই সবচেয়ে বেশী ঝুকি কবলিত বলে মনে করছেন সবাই। একই ভাবে পরিবহন খাতেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। চলমান পরিস্থিতিতে দেশের অন্যতম প্রধান এই শিল্পটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংকা সংশ্লিষ্টদের।
এদিকে নোভেল করোনাভাইরাস থেকে নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে পরিচালকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) চিকিৎসকরা। সম্প্রতি হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের নিকট স্মারক লিপি প্রদান করেন চিকিৎসকরা। স্মারক লিপিতে তারা নিজেদের রক্ষায় ৫ দফা দাবী তুলে ধরেন। দাবী গুলোর মধ্যে উলে¬খ যোগ্য হচ্ছে- প্রত্যেক চিকিৎসকের জন্য পিপিই সরবরাহ করতে হবে, দর্শনার্থী নিয়ন্ত্রন ও চিকিৎসকেদের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করন, জরুরী ভিত্তিতে শূন্যপদ পুরনসহ পর্যাপ্ত চিকিৎসক পদায়ন, জরুরী বিভাগে রোগীদের স্ক্রিনিং আউট করে শুধুমাত্র উচ্চ ঝুঁকি সম্পন্ন রোগীদের আইসল্যুশনের ব্যবস্থা করা, সব ধরনের সাইন্টিফিক সেমিনার ও সভা, সমাবেশ বন্ধ ঘোষনা এবং বায়োমেট্রিক হাজিরা সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ রাখা। এদিকে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে চলছে না কার্যক্রম। বিশেষ করে কয়েকজনকে দন্ডও প্রদান করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

বসুন্ধরা বিটুমিন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT