নগরীতে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রনে ৭ সদস্যের সিন্ডিকেট নগরীতে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রনে ৭ সদস্যের সিন্ডিকেট - ajkerparibartan.com
নগরীতে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রনে ৭ সদস্যের সিন্ডিকেট

2:30 pm , March 11, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ পুলিশ সোর্স পরিচয় দিয়ে নগরীতে একটি সংঘবদ্ধ ইয়াবা ব্যবসায়ী চক্র গড়ে উঠেছে। ৭ সদস্যের ওই চক্রের মধ্যে কেউ নগর ডিবি পুলিশের সোর্স আবার কেউ কেউ থানা পুলিশের সোর্স পরিচয়ে বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছে এই ব্যবসা। এদের মধ্যে কেউ নগর ডিবি এবং কেউ কেউ থানা পুলিশের সোর্স পরিচয় দিচ্ছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এদের কাউকেই সোর্স হিসাবে স্বীকার না করা হলেও এই ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে তাদেরকে ব্যক্তিগত সোর্স হিসাবে ব্যবহার করছেন কিছু কিছু পুলিশ সদস্য। আর অবাধ ব্যবসার খাতিরে তারাও ব্যক্তি বিশেষ পুলিশের সোর্স হিসাবে কাজ করছে। কিন্তু বিস্ময় ও ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে এসব ব্যবসায়ীরা যে সব পুলিশের সোর্স হিসাবে কাজ করছে সে সব পুলিশ সদস্যই তাদের কাছ বিক্রির জন্য ইয়াবা সরবারহ করছে। দীর্ঘ দিনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, নগরীর কাটপট্টির বাদল ওরফে কানা বাদলা, রুমেল, বগুড়া রোডের হিরা ওরফে ক্ষনিকা হিরা, কালিবাড়ির রোডের সুমিত, ঝাউতলার কালু ওরফে জয়দেব কালু, ভাটিখানার বাবু এবং কাউনিয়ার অপু বর্তমান সময়ে নিয়ন্ত্রন করছে নগরীর ইয়াবা ব্যবসা। থানা সুত্রে জানা গেছে এরা একাধিক বার ইয়াবাসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে তারা প্রত্যেকে জামিনে থেকে নগরীকে ইয়াবার রাজ্যে পরিনত করেছে। জানা গেছে এরা প্রত্যেকে আবার দল ভারী করে ছোট ছোট গ্রুপ তৈরী করে ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছে।
পরিচয় গোপন রেখে কথা হয় এই চক্রের একাধিক সদস্যের সাথে। তারা বলেন তারা কেউ পুলিশের তালিকা ভুক্ত বৈধ সোর্স নয় শুধু ব্যবসার সুবিধার জন্য তারা এক এক পুলিশ সদস্যের ব্যক্তিগত সোর্স হিসাবে কাজ করেন। বিনিময় অনেকটা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারেন তারা। কিন্তু থানা ও ডিবি পুলিশের সোর্স একে অপরের শত্রু আখ্যা দিয়ে তারা বলেন, যারা ডিবি পুলিশের সোর্স (ব্যক্তিগত) হিসাবে কাজ করে তাদেরকে ধরার জন্য সব সময় মরিয়া থাকে থানা পুলিশ। একই ভাবে থানা পুলিশের সোর্সদের ধরার জন্য ওত পেতে থাকে ডিবি পুলিশ। তারা আরো বলেন বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা ইয়াবা ওই পুলিশ সদস্যরাই নিজেদের লোকদের (সোর্স) কাছে অপেক্ষাকৃত কম দামে বিক্রি করেন। বিনিময় অনেক সময় তাদের প্রয়োজন মাফিক কাজ (ধরিয়ে দেওয়া) করে দিতে হয় আমাদের। নগর ডিবি পুলিশের ২/৩ জন এবং নগরীর ৪ টি থানার একাধিক উপ পরিদর্শক (এসআই) এসব কাজে জড়িত বলে জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র এসি নরেশ ভূইয়া বলেন, মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত কাউকে আমরা ছাড় দিচ্ছি না। সে পুলিশ হোক আর পাবলিক হোক। তিনি বলেন কোন পুলিশ সদস্য যদি মাদক ব্যবসা বা ব্যবসায়ীদের সাথে জড়িত থাকে এবং তার উপযুক্ত প্রমান পেলে তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT