1:00 am , February 13, 2020
চরফ্যাসন প্রতিবেদক ॥ চরফ্যাসনের শশীভূষণ থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বিরুদ্ধে মাদ্রাসা শিক্ষক ও নিকাহ রেজিস্টার মহিবুল্যাহ সাথে চরম অসাদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে মাদ্রাসা চত্বর এবং শিক্ষার্থী শিক্ষক ভর্তি মাদ্রাসার হলরুমে এই অসদাচরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ওসির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন। জানাযায়, গতকাল বুধবার দুপুরে আনজুরহাট সিনিয়র মাদ্রাসায় বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক সভা করতে যান শশীভূষণ থানার ওসি মনিরুল ইসলাম। মাদ্রাসার হলরুমে সভা শুরুর আগে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মহিবুল্যাহকে গালমন্দ এবং গ্রেফতারের হুমকী দেন ওসি। মহিবুল্যাহ জানান, তিনি চর কলমী ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার। পাশাপাশি তিনি আনজুরহাট সিনিয়র মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। নিকাহ রেজিস্টারের পরিচয় জানার সাথে সাথে ওসি তার উপর চড়াও হন। মারধর করতে উদ্যত হন এবং গ্রেফতারের হুমকী দেন। পরে হলরুমে পূর্বনির্ধারিত সচেতনতামূলক সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ওসি শিক্ষক মহিবুল্যাহর নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তার কাছে পড়ে শিক্ষার্থীরা মানুষ হবে না বলেও আপত্তিকর মন্তব্য করেন। শিক্ষক ও নিকাহ রেজিস্টার মহিবুল্যাহ জানান, ওসি তার বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহের অভিযোগ তোলেন। বিবাহ রেজিস্টেশনের ক্ষেত্রে জম্মনিবন্ধন গ্রহযোগ্য নয় বলে দাবী করেন ওসি। ইহার জবাবে ‘জম্ম নিবন্ধন গ্রহনযোগ্য বলে গেজেট আছে’ দাবী করায় ওসি তার উপর চাড়াও হন এবং শিক্ষার্থীদেরও বিভ্রান্ত করেন,যা গ্রহযোগ্য নয়।
নিকাহ রেজিস্টার ও শিক্ষক মহিবুল্যাহর অভিযোগ প্রসঙ্গে শশীভূষণ থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেছেন, শিক্ষক হিসেবে নয়, নিকাহ রেজিস্টার হিসেবে তার (মহিবুল্যাহ) সাথে কিছু কথা হয়েছে। জম্মনিবন্ধন যাচাই বাছাই করে নিকাহ রেজিস্টেশন করতে তাকে পরামর্শ দেয়া হয়েছিল,তার বেশী কিছু নয়। চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন জানান, শিক্ষক ও নিকাহ রেজিস্টার ওসির সাথে বাজে আচরণ করেছেন বলে ওসি আমাকে(ইউএনও) জানিয়েছেন। পাশাপাশি শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ওসি শিক্ষক ও নিকাহ রেজিস্টার মহিবুল্যাহর সাথে বাজে আচরণ করেছেন বলে জানান হয়েছে। মনে হয় কিছু একটা হয়েছে। আসলে কি ঘটেছে তা এখনো স্পষ্ট হতে পারিনি।
