2:15 pm , January 3, 2020
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ পৌষের শীতের সাথে অসময়ের বর্ষনে সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলের স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অসময়ের এ বর্ষন দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান ফসল আমনের জন্য যথেষ্ট বিরূপ পরস্থিতির সৃষ্টি করছে। মাঠে থাকা পাকা ধান কাটা থেকে শুরু করে তার গুনগত মান নষ্ট হবার পাশাপাশি কর্তনকৃত ধান মাড়াই ও শুকনো নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের চাষীগন। সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমে ফনি ও বুলবুল-এর মত দু দফার ঘূর্ণিঝড়ে দক্ষিণাঞ্চলের আমন ফসল যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্থ হবার পরে পৌষের এ অকাল বর্ষন প্রধান দানাদার খাদ্য ফসল নিয়ে কৃষকের স্বপ্ন দু.স্বপ্ন হতে চলেছে। সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমে দক্ষিণাঞ্চলে ৭ লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে আমন আবাদের মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ টন চাল পাবার লক্ষ্য স্থির ছিল। কিন্তু তিন দফার প্রকৃতিক দূর্যোগে উৎপাদন যথেষ্ট ব্যাহত হবার পরে এখন পাকা ধান নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষকগন। ফলে দরপতনও ঘটতে শুরু করেছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও শুক্রবারের বৈরী আবহাওয়া দক্ষিণাঞ্চলের জনজীবনে যথেষ্ট বিরূপ প্রভাব ফেলে। কর্মজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সারা সপ্তাহের কাঁচা বাজার করে থাকেন। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া বাজারেও যথেষ্ট বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। জুমার আগে নির্বিঘেœ মসজিদে যেতে পারলেও নামাজ শেষে মুসুল্লীগন ঘরে ফিরতে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়েন।
এ বর্ষনে সড়ক ও নৌ যোগাযোগ কিছুটা স্থবির হলেও আকাশ পরিবহন স্বাভাবিক ছিল। বরিশাল বিমান বন্দরে রাষ্ট্রীয় আকাশ পরিবহন সহ অপর দুটি বেসরকারী এয়ারলাইন্স-এর ৩টি ফ্লাইট নির্বিঘেœ চলেছে শুক্রবার।
