পাউবোর কবীরের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ পাউবোর কবীরের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ - ajkerparibartan.com
পাউবোর কবীরের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ

3:09 pm , October 4, 2019

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (প ও র বিভাগ) কক্সবাজারে কর্মরত কার্যসহকারী হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী লাকী আক্তার ওরফে শারমিন মৌসুমী বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোডের্র (প ও র বিভাগ) মহাপরিচালক বরাবরে অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে লাকি আকতার বলেন, আমি লাকী আক্তার ওরফে শারমিন মৌসুমী, পিতা: মৃত: আবদুল আজিজ মৃধা, গ্রাম+পোস্ট: রঘুনাথপুর, উপজেলা: বাখেরগঞ্জ,জেলা: বরিশাল। ১৯৯২ ইং সালে একই গ্রামের কবির মল্লিক ওরফে হুমায়ুন কবীর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে, প ও র বিভাগ, কক্সবাজার জেলা কার্য সহকারী পদে চাকুরী করেন। বিয়ের পর আমরা কক্সবাজারের বদরখালী, চকরিয়া এলাকায় দীর্ঘ দিন একত্রে সংসার করে আসছি। আমার স্বামী হুমায়ুন কবীরের ডাক্তারী পরিক্ষায় সমস্যার জন্য আমাদের কোন সন্তান হয় নাই। আমার স্বামী তার বন্ধুর মাধ্যমে ফরিদপুর থেকে একটি ছেলে সন্তান পালন করার জন্য নিয়ে আসে। আমি নিজের ছেলের মত করে সংসারের সুখ-শান্তির দিক তাকিয়ে ওকে কোলে-পিঠে করে মানুষ করতে থাকি। কিন্তু আমার স্বামী যতই দিন যায় আমার সাথে দুর্ব্যবহার করে। প্রায়ই সে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে এবং শারীরিকভাবে মারধর করে। বলে তুই তোর বাবার বাড়ী গিয়ে থাক। আমি সংসারের দিক তাকিয়ে একই সাথে একই জায়গায় থাকব বলে জানিয়ে দেই। কিন্তু সে জোর করে তার নতুন বরিশাল সদরের বাসায় আমাকে রেখে যায়। আমি ও ছেলে সেখানে থাকি কিন্তু সে আমাদের কে কোন খোজ খবর নেয় না। আমি ফোন করে বললে সে বলে আমার কাছে কোন টাকা-পয়সা নাই, তোর ভাইকে দিতে বল। আমার স্বামী তার বিল্ডিং করার খরচ বাবদ ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা দিতে বলে। আমার যেহেতু বাবা নাই একমাত্র ছোট ভাই বরিশাল শহরেই থাকে। সে অনেক কষ্টে আমার খাবারের বাজার খরচ বহন করতে থাকে এবং ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা ক্যাশ বাবদ আমার স্বামীকে দেয়। আমার স্বামী হুমায়ুন কবীর এই টাকায় সন্তুষ্ট না হয়ে সম্পূর্ণ ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা দাবী করে। তিন লক্ষ টাকা দেওয়ার পরেও আমার উপরে অত্যাচার আরো বাড়িয়ে দেয় এবং টাকা না দিলে আমাকে না রাখার হুমকি দেয়। বিষয়টি আমার আত্মীয়-স্বজন আমার স্বামীর সাথে বসে সমাধান করার চেষ্টা করে, কিন্তু ব্যর্থ হয। তিনি ছাপ কথা জানিয়ে দেয় আমাকে বিশ লক্ষা টাকা দিতে হবে।
আমি জানতে পারি যে ঢাকার এক মহিলার সাথে গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। দীর্ঘ দিন যাবৎ অফিস থেকে ছুটি নিয়ে আমার স্বামী ঢাকায় গিয়ে তার সাথে সময় কাটায় এবং এই মহিলা প্রায় কক্সবাজার গিয়ে আমার স্বামীর সাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করে এবং রাত্রি যাপন করে। উপায় অন্ত না পেয়ে আমি ভাইয়ের বাসায় গিয়ে থাকি। পরে সে আমাকে না বলে তার বাসায় নতুন তালা লাগিয়ে কক্সবাজার চলে যায় এবং এলাকার উৎশৃঙ্খল, বখাটে ছেলেদের টাকা দিয়ে বলে এই মহিলাকে বাসার আসে পাশে আসতে দিবি না। আসলে বেজ্জতি করবে। এখন পর্যন্ত সে আমার কোন খোজ-খবর নেয় নাই এবং আমি যোগাযোগ করে ব্যর্থ হই। অসৎ, অর্থলোভী, চরিত্রহীন হুমায়ুন কবিরের বিচারের দাবী করছি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT