3:07 pm , July 27, 2019
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ আসন্ন ঈদ উল আজহা উপলক্ষে পশুর হাটের জন্য তোরজোড় শুরু করেছে বরিশাল তথ্যা দক্ষিণাঞ্চলের পশু বিক্রেতারা। নগরীতে দুটিসহ জেলার দশ উপজেলায় ১৬টি স্থায়ী ও ৩০টি অস্থায়ী পশুর হাটে গত বছর কুরবানির পশুর বাজার বসেছিল। এবারও ওইসব অস্থায়ী পশু বিক্রেতারা কুরবানিকে ঘিরে হাট বসানোর জন্য তোড়জোড় শুরু করেছেন। দক্ষিণাঞ্চলে কুরবানির পশুর (গরু-ছাগল-মহিষ-ভেড়া) চাহিদা বিগত বছরগুলোতে স্থানীয়ভাবে মেটানো যায়নি। এবারও একই অবস্থা।
বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বিভাগের ছয় জেলায় চাহিদার অর্ধেক পশুর জোগান স্থানীয়ভাবে দেয়া সম্ভব হবে। অবশিষ্ট চাহিদা মেটাতে সীমান্তবর্তী জেলা যশোর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর এলাকা থেকে পশু আমদানির ওপর নির্ভর করতে হবে। বরিশাল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরুল ইসলাম জানান, ভারত থেকে গরু পাঠানো বন্ধ এবং মাংসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের নতুন ব্যবসায়ীরা পশু খামারের ব্যবসার দিকে ঝুঁকছেন। তবে কুরবানির পশুর চাহিদা মেটানোর পর্যায়ে যেতে আরো কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে।
এ ব্যাপারে বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কানাই লাল জানান, দেশে কুরবানির চাহিদার থেকে বেশি পশু রয়েছে। তাই অহেতুক পশুর দাম বাড়ানো কিংবা হতাশ হওয়ার কিছু নেই। বরিশাল সিটি করপোরেশনের হাট-বাজার শাখা সূত্রে জানা গেছে, নগরীর বাঘিয়ায় ও পোর্ট রোডে দুটি স্থায়ী পশুর হাট রয়েছে। এর বাইরে গত বছর নগরীর রূপাতলী মোল্লাবাড়ির মাদ্রাসা মাঠ, কালিজিরা বাজার ও সিএন্ডবি রোড সেচ ভবনের পাশে তিনটি অস্থায়ী পশুর হাটের অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। এ বছর এখনো কোনো অস্থায়ী পশুর হাটের অনুমোদন দেয়া হয়নি।
