শিক্ষক সংকটে খাজুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকটে খাজুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় - ajkerparibartan.com
শিক্ষক সংকটে খাজুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

3:17 pm , July 24, 2019

মিজানুর রহমান বুলেট, কুয়াকাটা ॥ কুয়াকাটা খাজুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭জন শিক্ষকের পরিবর্তে রয়েছে মাত্র ৪জন শিক্ষক। চার জন শিক্ষকের মধ্যে প্রধান শিক্ষক প্রায়ই থাকেন অফিসিয়ালি কাজে ব্যস্ত। তাই তিন শিক্ষক দিয়েই চলছে পাঠদান কার্যক্রম। আর এ তিনজন শিক্ষক অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিতে হিমসিম খাচ্ছে। ফলে শিক্ষক সংকটে ব্যহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। জানা যায়, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে শিক্ষা বিস্তার লাভে পরীক্ষামূলক জনগুরুত্বপূর্ন এলাকার অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০ মে থেকে ৬৫ দিন সাগরে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ ছিলো। যার শেষ হয়েছে ২৩ জুলাই দিবাগত রাত ১২টায়। তাই ২২ জুলাই বিকাল থেকেই ইলিশের সন্ধানে গভীর সাগরে যাত্রা করেছে দক্ষিণের উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেরা।
মৎস্য ভবন সূত্র জানায়, বরিশাল বিভাগে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭২৪ জন জেলে রয়েছেন। যার মধ্যে প্রায় দুই লাখ জেলে সাগরে ইলিশ শিকার করে। যার মধ্যে ভোলা জেলায় সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩২ হাজার ২১৯ জন জেলে রয়েছে। আর সব থেকে কম ৫ হাজার ২২৮ জন জেলে রয়েছে ঝালকাঠি জেলায়। এছাড়া বরিশাল জেলায় ৭ হাজার ৬৪০ জন, পটুয়াখালী জেলায় ৬৯ হাজার ৬৬০ জন, বরগুনা জেলায় ৪৪ হাজার ৮৫৫ জন ও পিরোজপুর জেলায় ২৪ হাজার ২২২ জন।
এদের মধ্যে সাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ভোলার ১ লাখ ৭৭ হাজার, পটুয়াখালীর ৬৪ হাজার ৭৭৭ জন, বরগুনার ৩৯ হাজার ৮০০ জন ও পিরোজপুরের ৮ হাজার ২৩০ জন জেলেকে সরকারি প্রণোদনার অংশ হিসেবে প্রতিজনকে ৪০ কেজি করে মোট ৮৬ হাজার মেট্রিক টন চাল দেয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, মুলত মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির জন্যই সাগর এবং নদীতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। তার অংশ হিসেবে সাগরে ৬৫ দিন ইলিশ শিকার নিষেধ ছিলো। এর ফলে সাগরে ইলিশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আমরা আশাবাদী। তাছাড়া পূর্বের থেকে জেলেরা অনেক সচেতন। তাদের সচেতনতার কারনেই সাগরে মৎস্য সম্পদ ইলিশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আজাহারুল ইসলাম বলেন, বিভাগের সব থেকে বেশি জেলে রয়েছে ভোলায়। যার মধ্যে সিংহভাগ জেলে সাগরে ইলিশ শিকারে যায়। এরা রাত ১২টার পর পরই ইলিশ শিকারের জন্য বঙ্গপসাগরে দলবদ্ধভাবে যাত্রা শুরু করে। তবে কিছু জেলে রয়েছে যারা গভির সমুদ্রে ইলিশ শিকার করেন। তাদের গন্তব্যে পৌছতে অনেক সময় গেলে যায়। তাই বিকালের দিকে তারা ফিশিং ট্রলার নিয়ে সাগরে যাত্রা শুরু করেন।
মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় সিনিয়র মহ-পরিচালক আজিজুল হক বলেন, দেশে ৫ লক্ষ ১৭ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদন হয়। যার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৬০ ভাগ (৩ লক্ষ ২৯ হাজার ২৫ মেট্রিক টন) ইলিশ আসছে বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার অধিনস্ত নদী ও সাগর থেকে।
তিনি বলেন, সরকারের নিষেধাজ্ঞার ফলে এ বছর বরিশালের সাগর ও নদীতে ইলিশের প্রবিদ্ধি পূর্বের তুলানায় অনেক হবে। এরই মধ্যে নদী এবং সাগরে রাজা ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। এর কারন সচেতনতা এবং সরকারের যুযোপযোগী উদ্যোগ। নদী এবং সাগরে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতে শুধুমাত্র সরকার লাভবান হচ্ছে না। মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির কারনে জেলেদেরও এখন আর না খেয়ে থাকতে হয়। তাই আইন মেনে মাছ ধরলে দেশের মৎস্য সম্পদ বিশেষ করে ইলিশের উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।শিক্ষক সংকটে খাজুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
এএম মিজানুর রহমান বুলেট, কুয়াকাটা ॥ কুয়াকাটা খাজুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭জন শিক্ষকের পরিবর্তে রয়েছে মাত্র ৪জন শিক্ষক। চার জন শিক্ষকের মধ্যে প্রধান শিক্ষক প্রায়ই থাকেন অফিসিয়ালি কাজে ব্যস্ত। তাই তিন শিক্ষক দিয়েই চলছে পাঠদান কার্যক্রম। আর এ তিনজন শিক্ষক অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিতে হিমসিম খাচ্ছে। ফলে শিক্ষক সংকটে ব্যহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। জানা যায়, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে শিক্ষা বিস্তার লাভে পরীক্ষামূলক জনগুরুত্বপূর্ন এলাকার অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০ মে থেকে ৬৫ দিন সাগরে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ ছিলো। যার শেষ হয়েছে ২৩ জুলাই দিবাগত রাত ১২টায়। তাই ২২ জুলাই বিকাল থেকেই ইলিশের সন্ধানে গভীর সাগরে যাত্রা করেছে দক্ষিণের উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেরা।
মৎস্য ভবন সূত্র জানায়, বরিশাল বিভাগে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭২৪ জন জেলে রয়েছেন। যার মধ্যে প্রায় দুই লাখ জেলে সাগরে ইলিশ শিকার করে। যার মধ্যে ভোলা জেলায় সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩২ হাজার ২১৯ জন জেলে রয়েছে। আর সব থেকে কম ৫ হাজার ২২৮ জন জেলে রয়েছে ঝালকাঠি জেলায়। এছাড়া বরিশাল জেলায় ৭ হাজার ৬৪০ জন, পটুয়াখালী জেলায় ৬৯ হাজার ৬৬০ জন, বরগুনা জেলায় ৪৪ হাজার ৮৫৫ জন ও পিরোজপুর জেলায় ২৪ হাজার ২২২ জন।
এদের মধ্যে সাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ভোলার ১ লাখ ৭৭ হাজার, পটুয়াখালীর ৬৪ হাজার ৭৭৭ জন, বরগুনার ৩৯ হাজার ৮০০ জন ও পিরোজপুরের ৮ হাজার ২৩০ জন জেলেকে সরকারি প্রণোদনার অংশ হিসেবে প্রতিজনকে ৪০ কেজি করে মোট ৮৬ হাজার মেট্রিক টন চাল দেয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, মুলত মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির জন্যই সাগর এবং নদীতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। তার অংশ হিসেবে সাগরে ৬৫ দিন ইলিশ শিকার নিষেধ ছিলো। এর ফলে সাগরে ইলিশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আমরা আশাবাদী। তাছাড়া পূর্বের থেকে জেলেরা অনেক সচেতন। তাদের সচেতনতার কারনেই সাগরে মৎস্য সম্পদ ইলিশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আজাহারুল ইসলাম বলেন, বিভাগের সব থেকে বেশি জেলে রয়েছে ভোলায়। যার মধ্যে সিংহভাগ জেলে সাগরে ইলিশ শিকারে যায়। এরা রাত ১২টার পর পরই ইলিশ শিকারের জন্য বঙ্গপসাগরে দলবদ্ধভাবে যাত্রা শুরু করে। তবে কিছু জেলে রয়েছে যারা গভির সমুদ্রে ইলিশ শিকার করেন। তাদের গন্তব্যে পৌছতে অনেক সময় গেলে যায়। তাই বিকালের দিকে তারা ফিশিং ট্রলার নিয়ে সাগরে যাত্রা শুরু করেন।
মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় সিনিয়র মহ-পরিচালক আজিজুল হক বলেন, দেশে ৫ লক্ষ ১৭ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদন হয়। যার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৬০ ভাগ (৩ লক্ষ ২৯ হাজার ২৫ মেট্রিক টন) ইলিশ আসছে বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার অধিনস্ত নদী ও সাগর থেকে।
তিনি বলেন, সরকারের নিষেধাজ্ঞার ফলে এ বছর বরিশালের সাগর ও নদীতে ইলিশের প্রবিদ্ধি পূর্বের তুলানায় অনেক হবে। এরই মধ্যে নদী এবং সাগরে রাজা ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। এর কারন সচেতনতা এবং সরকারের যুযোপযোগী উদ্যোগ। নদী এবং সাগরে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতে শুধুমাত্র সরকার লাভবান হচ্ছে না। মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির কারনে জেলেদেরও এখন আর না খেয়ে থাকতে হয়। তাই আইন মেনে মাছ ধরলে দেশের মৎস্য সম্পদ বিশেষ করে ইলিশের উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT