মুলাদীতে ভ্যান চালককে ভিটে মাটি ছাড়া করার পায়তারা মুলাদীতে ভ্যান চালককে ভিটে মাটি ছাড়া করার পায়তারা - ajkerparibartan.com
মুলাদীতে ভ্যান চালককে ভিটে মাটি ছাড়া করার পায়তারা

3:16 pm , April 7, 2019

মুলাদী প্রতিবেদক ॥ মুলাদীতে ভ্যান চালককে ভিটেমাটি ছাড়া করার পায়তারা চালাচ্ছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল। ঘটনার বিবরনে জানাগেছে, মুলাদী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের চরডিগ্রী গ্রামের বারেক সরদারের পুত্র ভ্যান চালক দেলোয়ার সরদার তার পৈত্রিক সম্পত্তিতে একটি দো-চালা টিনের ঘর উত্তলন করে স্ত্রী ও ৪কন্যা সন্তান নিয়ে কোন রকম জীবন যাপন করে আসছিল। হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে তার সেই ঘরটি পড়ে গেলে ভ্যান চালক দেলোয়ার পুনরায় ঘরটি উত্তলন করতে গেলে, সেখানে বাধা প্রদান করে স্থানীয় প্রভাবশালী পত্তনিভাঙ্গা গ্রামের মৃত হাসেম আলী দপ্তরীর ছেলে খলিল দপ্তরী, চরডিগ্রি গ্রামের মমিনন্দিন ঘরামীর ছেলে আক্রমআলী ঘরামী ও মাইন উদ্দিন বেপারীর ছেলে ধলু বেপারী তাতে বাধা প্রদান করেন। এঘটনায় মুলাদী থানার এস আই আলআমিন ও এ এস আই বাদল ঘটনা স্থলে গিয়ে ভ্যান চালক দেলোয়ারের ঘর তুলতে বাধা প্রদান করে তার ঘরের মালামাল বাহিরে ফেলে দেয় এবং সেখানে উপস্থিত হওয়া লোকজনকে অকত্য ভাষায় গালি-গালাজ এবং স্থানীয় দোকানদার জামালকে মারধর করে পুলিশ বলে জানিয়েছেন দেলোয়ারের পরিবার। ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন আরও জানায়, ভুমিদস্যু খলিল দপ্তরি ও ধলু বেপারী তাদের লোকজন দিয়ে একাধীকবার ভ্যান চালক দেলোয়ারের বাড়ীতে বনদার ভীতরে মরিচের গুড়া দেয়ার মত ন্যককার জনক কাজও করেছে। দীর্ঘ ১০/১২ বছর যাবৎ এ অসহায় গরিব পরিবারটির উপর নির্মম অত্যার চালিয়ে আসছে স্থানীয় ঐ প্রভাবশালীরা এমনটিই জানিয়েছে এলাকাবাসী। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধীকবার শালিশ মিমাংশা করলেও তা না মেনে ক্ষমতা বলে ভ্যান চালক দেলোয়ারের পরিবারের উপর একের পর এক নির্যাতন চালাচ্ছে স্থানীয় ঐ প্রভাবশালী মহলটি। উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিয়ে অসহায় ভ্যান চালক দেলোয়ারের পরিবারটি রক্ষা করবে এমনটিই প্রত্যাশা মানবেতর জীবন যাপন করা পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যর।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT