সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাইক্লোন শেল্টার সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাইক্লোন শেল্টার - ajkerparibartan.com
সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাইক্লোন শেল্টার

3:07 pm , February 16, 2019

পরিবর্তন ডেস্ক \ উজিরপুর উপজেলার সন্ধ্যা নদীর অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আশোয়ার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টার। ইতোমধ্যে সাইক্লোন শেল্টারের একাংশের মাটি সরে গিয়ে পিলার বের হয়ে গেছে। যেকোন সময় নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে পুরো সাইক্লোন শেল্টারটি। ফলে আতংকে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, ভাঙন আতংকে দিন কাটচ্ছেন উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের আশোয়ার, হানুয়া, রৈভদ্রাদি ও বান্নাসহ কয়েকটি গ্রামের নদী পাড়ের বাসিন্দারা। ইতোমধ্যে রাক্ষুসী নদীতে বিলিন হয়ে গেছে দাসেরহাট বাজারের যাত্রী ছাউনি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদী ভাঙনের কারনে ওই এলাকার বাসিন্দাদের বসতবাড়ি, ফসলী জমি, মসজিদ, খেলার মাঠ ও পানবরজ ইতোমধ্যে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রভাবশালী কতিপয় বালু খেকোরা ভাঙন কবলিত এলাকার নদীতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলণ করায় নদীর ভাঙন ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়েছে। নদী ভাঙনরোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নদী পাড়ের বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা আক্তার জানান, নদী ভাঙনের বিষয়টি ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। আশোয়ার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারটি অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শীঘ্রই বালু খেকোদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভাঙন এলাকায় বাঁধ দিয়ে সমস্যার সমাধান করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT